পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন ওই অঞ্চলে হেরোইন এবং মেথাঅ্যাম্ফেটামিন-এর বাণিজ্য বাড়াবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ৷
মঙ্গলবার জাতিসংঘের মাদক এবং অপরাধ সংক্রান্ত বিভাগ (ইউএনওডিসি)-এর আঞ্চলিক প্রতিনিধি জেরেমি ডগলাস বলেছেন, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন যত বাড়তে, ওই অঞ্চলে মাদক পাচার চক্রের তৎপরতা ততই বাড়তে থাকবে৷
জাতিসংঘ অফিস জানিয়েছে, গত বছর এই অঞ্চলে দেড়শ কোটি মেথাঅ্যাম্ফেটামিন ট্যাবলেট তৈরি হয়েছে এবং ৯০০ টন আফিম উৎপাদন হয়েছে৷ এগুলোর বেশিরভাগ উৎপাদন হয়েছে মিয়ানমারে৷
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201403/1393993364.jpg[/img]
মিয়ানমারের যে অঞ্চলে হেরোইন এবং মেথাঅ্যাম্ফেটামিন উৎপাদন হয়, সেই সান রাজ্যটি আবার সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে৷
ইউএনওডিসি হুশিয়ার করে দিয়ে বলেছে, এই অঞ্চলে মুক্ত বাজার অর্থনীতির কারণে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলো আগামীতে বেশ সমস্যায় পড়বে৷ ওই অঞ্চলে অবৈধ মাদক পাচার আরও বেড়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছে সংস্থাটি৷
আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী, এসব অঞ্চলে বাণিজ্য সম্পর্ক অনেকটাই বাধা বিপত্তিহীন৷ ব্রুনেই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপিন্স, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম আসিয়ানভুক্ত দেশ৷
ডগলাস জানান, যেসব জায়গায় তারা হেরোইন এবং মেথাঅ্যাম্ফেটামিন-এর উৎপাদন বেশি দেখেছেন, সেখানেই দেখেছেন বাণিজ্যের জন্য কোনো গণ্ডি নেই৷ অর্থাৎ, আশেপাশের দেশে অবাধে চালানো হতে পারে এ সব অবৈধ মাদক৷ তিনি জানান, এভাবে অবাধে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে যেতে এক সময় এশিয়ার বাজারে ছড়িয়ে পড়বে এসব মাদক৷
ডগলাস আরও জানান, অনেক দেশ থেকে ওষুধ তৈরির জন্য এমন সব উপাদান আসে যেগুলোতে অনেক সময় মেথাঅ্যাম্ফেটামিন থাকে, যেমন ভারত থেকে বৈধ উপায়ে ওষুধ তৈরির কাঁচামাল মিয়ানমারে আসে, আর এগুলোর মধ্যে মেথাঅ্যাম্ফেটামিন পাওয়া যায়৷সূত্র: ডিপিএ, রয়টার্স
[b]ঢাকা, ৫ মার্চ (টাইমনিউজিবিডিডটকম) // ইএইচ[/b]