ইয়েমেনের একটি শরণার্থী শিবিরে সৌদি বিমান হামলায় নিরীহ নারী-শিশুসহ অন্তত ৪৫ জন নিহত এবং প্রায় ২০০ আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা আশংকাজনক। ইয়েমেনের সংবাদ সংস্থা সাবা জানিয়েছে সোমবার রাতে এ হামলা চালানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, উত্তর ইয়েমেনের হারাদহ্ শিবিরে এ হামলা চালানো হয়েছে। পাঁচটি শিশুর লাশ ধ্বংসস্তূপের কাছে পড়ে থাকতে দেখা গেছে বলে এ খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া হুথিদের পরিচালিত আল-মাসিরাহ টেলিভিশনে হতাহতের চিত্র দেখানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো বলেছে, এ এলাকার শরণার্থী শিবিরগুলোতে মানবেতর পরিস্থিতিতে বসবাস করতে বাধ্য হতো আশ্রয়গ্রহণকারী এবং বিমান হামলার পর শিবিরের পরিবেশের আরো অবনতি ঘটবে।
মধ্যপ্রাচ্যে এমএসএফ’র (ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস) প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপক পাবলো মার্কো বলেন, এটা ছিল একটি বিমান হামলা। এ হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ ইয়াসিন জানিয়েছেন, হুথিদের কামানের গোলার আঘাতে এ ঘটনা ঘটেছে।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র বাবর বেলুচ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও ঠিক কিভাবে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত করতে পারেননি।
২০০৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলী আব্দুল্লাহ সালেহ’র চালানো হুথিবিরোধী অভিযানের সময় স্থানীয় ইয়েমেনীরা শিবিরটিতে আশ্রয় নেন। বর্তমানে শিবিরটিসহ ওই অঞ্চল হুথিদের দখলে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার থেকে বিনা ঘোষণায় ইয়েমেনে বিমান হামলা শুরু করেছে সৌদি আরব এবং সে থেকে বেশির ভাগ হামলায় চালানো হয়েছে রাতে। হামলা চালাতে যেয়ে এ পর্যন্ত সৌদি জোটের অন্তত চারটি জঙ্গি বিমান ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সৌদি আরবের এবং অপরটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের বলে জানা গেছে।আলজাজিরা, রেডিও তেহরান।
ইআর





