একটি টেলিফোন কথোপকথনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পর্কে কটু মন্তব্য ইন্টারনেটে ফাঁস হয়ে যাবার পর যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ইইউ'র কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ডের সঙ্গে ইউক্রেনে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জেফ্রি পায়াট-এর কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করে ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র সন্দেহ করছে রাশিয়া এর পেছনে থাকতে পারে।
তবে ইউক্রেন সংকট নিরসনে ইইউ'র মধ্যস্থতা নিয়ে নুল্যান্ডের বিদ্রূপমূলক মন্তব্যকে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল ‘’সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেছেন।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে নুল্যান্ড বলেন তিনি এই বিষয়ে জনসমক্ষে কোনো বিবৃতি দেবেন না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর বলেছে তিনি ইইউ কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
ইউক্রেনের রাজনৈতিক সংকট নিরসনে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইইউ কয়েক মাস যাবত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
গত বছর নভেম্বর মাসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ ইইউ'র সঙ্গে একটি সহযোগিতা এবং বাণিজ্য চুক্তি সাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে, কিয়েভে ব্যাপক বিক্ষোভের শুরু হয়।
প্রেসিডেন্ট ইয়ানুকোভিচ যাতে ইইউ'র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক না গড়ে তোলেন, সেজন্য রাশিয়া তার অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ করা হয়।
অন্যদিকে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র আর ইইউ'র বিরুদ্ধে ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর অভিযোগ এনেছে।
[b]মিত্রদের মধ্যে বিভক্তি[/b]
তবে বিবিসির ইউরোপ সম্পাদক গ্যাভিন হিউইট মনে করেন, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের মধ্যে চাপা উত্তেজনার একটি বহিঃপ্রকাশ।
ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে আমেরিকা হয়তো ইইউ'র চেয়ে জাতিসংঘের ভূমিকা বেশি পছন্দ করবে, এবং যদি তাই হয়, তাহলে সেটা ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের অনুভূতিতে আঘাত হানবে, তিনি বলেন।
“আজকের মন্তব্য এবং অভিযোগগুলো আবার মনে করিয়ে দিয়েছে যে, এই সংকট শেষ তো হয়ই নাই, এমনকি মিত্রদের মধ্যে বিভক্তি এবং উত্তেজনা সৃষ্টি করার ক্ষমতা তার আছে,” গ্যাভিন হিউইট বলেন।
ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ডের সঙ্গে রাষ্ট্রদূত জেফ্রি পায়াট-এর কথোপকথন বৃহস্পতিবার ইউটিউবে আপলোড করা হয়।
চার মিনিট দশ সেকেন্ড লম্বা ভিডিওতে নুল্যান্ডের কণ্ঠকে বলতে শোনা যায়, যে জাতিসংঘ পরিস্থিতি মেরামত করতে সহায়তা করতে পারে, এবং সেখানে তাকে ইইউ সম্পর্কে অশ্লীল মন্তব্য করতে শোনা যায়।
জার্মান চ্যান্সেলরের মুখপাত্র ক্রিস্টিন ভির্টজ বলেন যে ম্যার্কেল ইউক্রেন সঙ্কটের সমাধান বের করতে ইইউ'র পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান ক্যাথরিন অ্যাশটনের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছেন।
“চ্যান্সেলর এই সব মন্তব্যগুলোকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য মনে করেন,” ভির্টজ বলেন। সূত্র: বিবিসি
[b]ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডিডটকম)//ইএইচ[/b]
ইউক্রেন নিয়ে মার্কিন কর্মকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা
একটি টেলিফোন কথোপকথনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পর্কে কটু মন্তব্য ইন্টারনেটে ফাঁস হয়ে যাবার পর যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা ইইউ'র কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ডের সঙ্গে ইউক্রেনে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জেফ্রি পায়াট-এর কথোপকথন গোপনে রেকর্ড করে ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র সন্দেহ করছে রাশিয়া এর পেছনে থাকতে পারে।
শান্তি আলোচনা হলেও ইউক্রেনে হামলা চলবে : রাশিয়া
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু হলেও সামরিক অভিযান বন্ধ বা সীমিত করা হবে না বলে জানিয়েছে রাশিয়া। সোমবার (২৬ অক্টোবর) মস্কোয় এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
ইউক্রেন থেকে তরুণদের দেশে বেঁচে ফেরার লোমহর্ষক বিবরণ
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে তরুণদের রাশিয়ায় নিয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের অবস্থান শনাক্ত করতে এসব বাংলাদেশিকে ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশের পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট। এভাবে রাশিয়ায় পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেশে ফিরেছেন ঝিনাইদহের তরুণ রাজন হোসেন।
ইউক্রেনের দুই শহরে রুশ হামলায় নিহত ৬
ইউক্রেনের দুটি শহরে রাশিয়ার হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে একটি মুদি দোকানে হামলায় তিনজন নিহত ও আরও ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১১ অক্টোবর) এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে রয়টার্স।
রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে শিশুসহ নিহত ২৮
ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এসব হামলায় অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে।
ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে ইউক্রেনকে ১৩৮ কোটি ডলার দিল ইইউ
ইউক্রেনের সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য ১২৪ কোটি ইউরো বা প্রায় ১৩৮ কোটি ডলার অর্থ ছাড় করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহে এ অর্থ ব্যয় করবে ইউক্রেন।
















