যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৪ জন নিহত ও অন্তত ১৭ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে রাজ্যের সান বার্নার্ডিনো শহরের একটি প্রতিবন্ধী সেবাকেন্দ্রে বন্দুকধারীরা এই হামলা চালায়।
পরে পুলিশের অভিযানে এক দুই সন্দেহভাজন হামলাকারী নিহত হয়েছেন। এদের একজন নারী
স্যান বার্নারডিনো পুলিশ প্রধান জ্যারড বারজুয়ান বলেছেন, সন্দেহভাজন দুই হামলাকারী নিহত হয়েছেন।
তাদের একজন নারী এবং তারা সামরিক কায়দার পোশাক পরে রাইফেল ও হ্যান্ডড়ান নিয়ে এই হামলায় অংশ নেন।
এছাড়া আরেক হামলাকারীকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
হামলার পর শত শত নিরাপত্তা কর্মকর্তা হামলাকারীদের খুঁজতে থাকলে শহরটি কার্যত স্থবির হয়ে পরে।
গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই এই হামলাকে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে ব্যাখ্যা দেয়নি। তবে পরিস্থিতি তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এর আগে লস অ্যাঞ্জেলেসের দক্ষিণের ওই শহরটির পুলিশ জানিয়েছিল, হামলার পর বন্দুকধারীরা একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। বন্দুকধারীর সংখ্যা তিনজন পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শহরটির শেরিফ বিভাগ বলছে, হামলাকারীরা সামরিক কায়দায় পোশাক পরিহিত ছিল।
সেবাকেন্দ্রটির প্রধান বলছেন, শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের একটি অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া দেয়া ভবনে হামলাটি চালানো হয়।
গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই’র সহকারী পরিচালক ডেভিড বোডিচ বলেন, হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি।
তিনি বলেন, অনেকেই হয়তো এখন জানতে চাইছেন যে, এটি সন্ত্রাসবাদী হামলা কিনা— কিন্তু এটি সন্ত্রাসী হামলা কিনা সেটি আমরা এখনো জানি না। আমরা স্থানীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে এখন কাজ করে যাচ্ছি।
এক সংবাদ সম্মেলনে আগে স্যান বার্নারডিনো পুলিশ প্রধান জ্যারড বারজুয়ানও বলেছিলেন, ‘সন্দেহভাজন বন্দুকধারীরা একটি স্পোর্টসকারে সামাজিক সহায়তা সংস্থার ভবন থেকে পালিয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, বন্দুকধারীরা এখনো সক্রিয় থাকায় স্থানীয় সব স্কুল, সরকারি ভবন ও হাসপাতালে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। বন্দুকধারীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।
২০১২ সালে নিউটনে স্যান্ডি হুক এলিমেন্টারি স্কুলে নৃশংস ঘটনার পর এটিই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় হামলা। নিউটনের ঘটনায় বন্দুকধারীসহ ২৭ জন নিহত হয়েছিল। (সূত্র: বিবিসি)
এমকে





