দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী নতুন ‘করোনাভাইরাসে’ চীনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২৫ জন। এই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত অবস্থায় আছেন বিশ হাজারের বেশি মানুষ।
চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের সর্বশেষ এই তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে সোমবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) ৩৬১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। নতুন করে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি আক্রান্তের সংখ্যাও বেড়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ৮ দিনে হাসপাতাল নির্মাণ করেছে চীনা শ্রমিক ও চিকিৎসকরা। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ভাইরাসটি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে বেইজিং।
নভেল করোনাভাইরাস বা করোনা গোত্রের নতুন ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব যখন বিশ্বের ২৪টিরও বেশি দেশের মাথা ব্যথার কারণ, তখন এই রোগ নিয়ে অযথা আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। আর এই অভিযোগ করেছে খোদ চীন, যেখান থেকেই প্রাণঘাতী ভাইরাসটির সৃষ্টি।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, জনস্বাস্থ্য নিয়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা আর সাম্প্রতিক সময়ে চীন ভ্রমণ করা নাগরিকদের দুই সপ্তাহ ধরে প্রবেশাধিকার বন্ধ রেখে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরও একই ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ছাড়া নিউজিল্যান্ড, ইসরায়েল, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া , মিশর, ফিনল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাজ্য, ইতালি সরকারও চীনের সঙ্গে ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি চীন ফেরত নাগরিকদের প্রবেশে কড়াকড়ি বাড়িয়েছে। এ অবস্থায় নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ার পাশাপাশি ভয় আর আতঙ্ক না ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস আধানম গ্যাব্রিয়েসুস বলেন, “আন্তর্জাতিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার মতো কিছু ঘটেনি। আমরা সকল দেশকে আহ্বান জানাব, আপনারা তথ্য প্রমাণ যাচাই করে ব্যবস্থা নিন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আপনাদের সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত। ভাইরাস নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে গুজব ছড়ানো বন্ধে কাজ করছি আমরা।”
এমবি





