ইরান ‘তুফান’মডেলের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করছে এবং এ জাতীয় মডেলের আওতায় সাত ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র  নির্মাণ করেছে।

ইরানের বিমান ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রধান জেনারেল মাহদি ফারাহি এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন: আমরা উৎপাদনের মান উন্নত করার জন্য কয়েকশ’রও বেশি প্রকল্প সম্পন্ন করেছি এবং একই প্লাটফর্মে ও ঘাঁটিতে সাতটি ধাপে সাত ধরনের তুফান ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করছি।

তুফান ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘তুফান-এক’থেকে ‘তুফান-সাত’পর্যন্ত সাত শ্রেণীর ক্ষেপণাস্ত্র।  ‘তুফান-১১’সহ এই ক্ষেপণাস্ত্রের  নানা নতুন সংস্করণগুলোর উৎপাদনের কাজ চলছে বলে  জেনারেল মাহদি ফারাহি জানান।

তিনি আরো জানান, ইরানের ‘সায়েক্বে বা বজ্রপাত’, ‘তোন্দার বা বজ্র’, ‘তোসেন বা বিশেষ প্রজাতির ঘোড়া’ও ‘দেহলাভিয়ে’ক্ষেপণাস্ত্রগুলো হেলিকপ্টার, প্লাটফর্ম ও ট্যাংকের মাধ্যমেও ব্যবহার করা যায় বলে তিনি জানান।

অনেক সামরিক বিশেষজ্ঞ মনে করেন মার্কিন ‘টো’ক্ষেপণাস্ত্রের বিপরীত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ জাতীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন শুরু করে ইরান।  ইরান ছাড়াও সিরিয়া ও হিজবুল্লাহ এ জাতীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এইসব ক্ষেপণাস্ত্রে থাকে প্রায় সাড়ে তিন কেজির উচ্চ মাত্রার বিস্ফোরক এবং এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ৫৫০ মিলিমিটার পুরু স্টিল ভেদ করতে পারে।

ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর পাল্লা প্রায় চার কিলোমিটার এবং গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩১০ মিটার। এই বিশেষজ্ঞদের মতে ইরান ২০০০ সাল থেকে এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন করে আসছে। আসছে।  ইরানের ‘ক্বায়েম’ক্ষেপণাস্ত্রও হচ্ছে তুফান প্রযুক্তিরই ক্ষেপণাস্ত্র। সূত্র: আইআরআইবি

ঢাকা, ২০ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ