ভারতের কাশ্মীরে দুই দিনের ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় ৬৫ জন নিহত হয়েছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। দুই দশকের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় কাশ্মীরের উত্তরাঞ্চলজুড়ে দুর্যোগ সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ। এ পরিস্থিতিতে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে।
বন্যায় নিহতদের মধ্যে বরযাত্রীবাহী একটি বাসের আরোহীরাও রয়েছেন।
কাশ্মীরের জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট মুবাশির লতিফী রয়টার্সকে বলেন, “আকস্মিক বন্যায় বরযাত্রীদের একটি বাস ভেসে গিয়ে অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।”
কাশ্মীরের প্রধান শহর শ্রীনগর থেকে ১৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে রাজৌরিতে ওই বাস দুর্ঘটনা ঘটে।
যাত্রীদের মধ্যে পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ কর্মকর্তা মুবাশির জানান। এছাড়া বৃষ্টিজনিত পৃথক কয়েকটি ঘটনায় এক সীমান্তরক্ষীসহ আরো অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন।
মুবাশির বলেন, বন্যা দুর্গত গ্রামবাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনতে একটি উদ্ধারকারী দল ও হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে ভারী বৃষ্টিতে উদ্ধার কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।
আগামী ২৪ ঘণ্টাও কাশ্মীরে ভারী বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। এদিকে রাজ্যের প্রধান নদী ঝেলাম ও এর শাখা নদীগুলোতে বিপদ সীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।
ঢাকা, ৫ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম জেআই





