একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে ছেলেটার গলায় গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ার পরিয়ে দেওয়া। তৃতীয় ছবিতে দেখা যাচ্ছে ছেলেটি রাস্তার উপরে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। গত কয়েক দিন ধরেই এই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে উঠেছে। একটি ছোট্ট ছেলের সঙ্গে এমন নির্মম অত্যাচার কারা করল তা জানতে চেয়ে বিশ্বজুড়ে মানুষ সরব হয়েছে।
জানা গিয়েছে, নৃশংস অত্যাচারের শিকার হওয়া এই বালকের বয়স ৭ বছর। আর ঘটনাস্থল নাইজেরিয়ার লাগসের বাড়াগরিতে। কেন মধ্যযুগীয় বর্বরতা চালানো হয়েছিল এই বালকের উপরে। নাইজেরিয়ার কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, খিদের জ্বালায় দোকান থেকে ওই বালক ‘গাররি’ অর্থাৎ নাইজেরিয়ার এক বিশেষ ধরনের ‘খাবার’ চুরি করেছিল বলে অভিযোগ। ৭ বছরের বালককে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলে জনতা। এরপরই শুরু হয় অত্যাচার।
গৃহযুদ্ধ এবং দারিদ্রে ক্ষতবিক্ষত নাইজেরিয়া। তার মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে পুলিশ-প্রশাসনের উপর তীব্র ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়েছে নাইজেরিয়ানদের। যার শিকার হয়েছে এই ৭ বছরের বালক। যদিও, অধিকাংশ নাইজেরিয়ানই চাইছেন এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কড়া শাস্তি হোক।
বিশেষ করে যারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছিলেন এবং ক্ষিপ্ত জনতার হাত থেকে বালকটিকে বাঁচানোর বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেনি, তাঁদের উপর সবচেয়ে বেশি ক্ষিপ্ত হয়েছে মানুষ।
জেড





