দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত একটি বিমান এখন সমুদ্রের নিচে রঙিন মাছদের আবাস। তুরস্কের আনাতোলিয়ার ছোট্ট পর্যটন শহর কাসের কাছে সমুদ্রের অগভীর পানিতে বহাল তবিয়তে আছে বিমানটি।
ডগলাস ডাকোটা ডিসি-৩ বিমানটি তুরস্কের সেনাবাহিনীর পণ্য বহন করত। ১৯৪৪ সালে এটি বিধ্বস্ত হয়। সম্প্রতি স্কুবা ডাইভাররা এটিকে খুঁজে পেয়েছেন। দলটিতে ছিলেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের কয়েকজন ডাইভার।
দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায় এর ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গেছে। পাখায় বাসা বেঁধেছে প্রবাল। কিন্তু বিমানটির কাঠামো এখনো পুরো অক্ষত আছে। স্কুবা ডাইভারদের একজন আন্দ্রে নেসকারভ বলেন, বিমানটি পানিতে এমন অবস্থায় আছে, দেখে মনে হতে পারে এটি বোধহয় রানওয়েতে
মার্কিন বিমান নির্মাতা ডগলাস ১৯৩৫ সালে ডাকোটা ডিসি-৩ বিমান বাজারজাত শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যই এটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়। দশ বছরে এই মডেলের প্রায় ১৩ হাজার বিমান তৈরি করে ডগলাস। বিমানটি ঘণ্টায় ২৩০ মাইল গতিতে উড়তে পারত। আর উঠতে পারতে ২২ হাজার ফিট উঁচুতে। এর সর্বশেষ বিমানটি তৈরি হয় ১৯৪৭ সালে। এখনও টোঙ্গা ও বলিভিয়ার মত কিছু দেশ পণ্য পরিবহনের জন্য এই বিমান ব্যবহার করছে।
প্রায় ৭০ বছর ডগলাস ডাকোটা ডিসি-৩ বিমানটি বিধ্বস্ত হলেও কেউ জানত না সেটি কোথায় বিধ্বস্ত হয়েছে। সম্প্রতি সে রহস্য উন্মোচন হয়েছে। তাহলে কী সম্প্রতি রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যাওয়া মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের বোয়িং ৭৭৭-২০০ বিমানটির ভাগ্যেও এমন কিছু ঘটতে পারে? সূত্র: ডেইলি মেইল ও ডেইলি এক্সপ্রেস
[b]ঢাকা, ১২ মার্চ (টাইমনিউজবিডিডটকম) // ইএইচ[/b]
আন্তর্জাতিক
সমুদ্রে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিমান
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত একটি বিমান এখন সমুদ্রের নিচে রঙিন মাছদের আবাস। তুরস্কের আনাতোলিয়ার ছোট্ট পর্যটন শহর কাসের কাছে সমুদ্রের অগভীর পানিতে বহাল তবিয়তে আছে বিমানটি। ডগলাস ডাকোটা ডিসি-৩ বিমানটি তুরস্কের সেনাবাহিনীর পণ্য বহন করত। ১৯৪৪ সালে এটি বিধ্বস্ত হয়। সম্প্রতি স্কুবা ডাইভাররা এটিকে খুঁজে পেয়েছেন। দলটিতে ছিলেন রাশিয়া ও ইউক্রেনের কয়েকজন ডাইভার।





