পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন শনিবার বলেছেন, বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক ব্র্যান্ডিংয়ের সরকারি প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বৈদেশিক বিনিয়োগের প্রবাহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।
শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় বঙ্গবন্ধু গ্যালারি ও গ্রন্থাগার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সম্পর্কে বহির্বিশ্বে যে ভ্রান্ত ধারণা আছে তা পরিবর্তন করে দিতে চাই। পরিবর্তন করে আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশ হচ্ছে একটি অগ্রসরমান এবং সম্ভাবনাময় অর্থনীতির দেশ।”
পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ড. মোমেন বলেন, “বহির্বিশ্বের একটি ভ্রান্ত ধারণা হচ্ছে বাংলাদেশ একটি দারিদ্র্যক্লিষ্ট এবং ঘূর্ণিঝড়কবলিত তলাবিহীন ঝুড়ির দেশ। আমরা এ ভ্রান্ত ধারণাটি পুরো পরিবর্তন করে দিতে চাই।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ইতিবাচক ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য আমাদের ৭৮টি মিশন নিজ নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।”
ড. মোমন জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশের মিশনের মধ্যে ৬৮টিতে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অবিচ্ছদ্য।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়লে দেশে কর্মসংস্থান হবে। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের দেশে যে যুবকরা আছেন, তারা এ ব্যাপারে অগ্রসর হয়ে আসবেন, তারা এ ক্ষেত্রে সুযোগ পাবেন।”
“বাংলাদেশকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না। আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে সোনার বাংলা গড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি,” বলেন তিনি।
গত ১৭ ডিসেম্বর মরিশাসের পোর্ট লুইসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্ট্রিট উদ্বোধন করা হয়। মরিশাস ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বের সাক্ষ্য হিসেবে এ রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বঙ্গবন্ধু শুধু এ দেশের জন্যই নয়, সব দেশ ও বিশ্বের বহু জাতির কাছে অনুকরণীয় ছিলেন এবং তার গ্রহণযোগ্যতাই তা প্রমাণ করে।
বাংলাদেশ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করছে, যা ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এবং ২০২১ সালে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করবে।ইউএনবি
এমবি





