খবরে জানানো হয়, বৃটিশ সরকার তাকে পুলিশি নিরাপত্তা দিতে রাজি না হওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। তবে ব্যক্তিগত অর্থ প্রদানের বিনিময়ে পুলিশি সুরক্ষা চেয়ে করা সেই আপিলও এবার খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। প্রিন্স হ্যারিকে এ বিষয়ে আর না আগানোর কথাও বলেছেন বিচারক চেম্বারলেন। সরকার পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, ধনী ব্যক্তিরা চাইলেই পুলিশ কিনে নিতে পারেন না।
বৃটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক মোটেও ভাল নয় প্রিন্স হ্যারির। সুযোগ পেলেই তোপ দাগেন রাজপরিবারের বিরুদ্ধে। আর তাই বছরজুড়েই আলোচনায় থাকেন রাজপুত্র।
আপিল প্রত্যাখ্যানের পর হ্যারির আইনজীবীরা জানান, বৃটেনে হাই প্রোফাইল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত অর্থের বিনিময়ে পুলিশি নিরাপত্তা নেয়ার বিধান থাকলেও এক্ষেত্রে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তবে বৃটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হ্যারি অর্থের বিনিময়ে যে ধরনের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চেয়েছেন তা অনেকটা দেহরক্ষীর মতো, যা রাষ্ট্রীয় বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
শুধু এই আইনি লড়াই নয়, বৃটেনে আরও কয়েকটি মামলা লড়ছেন হ্যারি। এরমধ্যে আছে মিরর নিউজপেপার গ্রুপের বিরুদ্ধে ফোন-হ্যাকিং দাবি সংক্রান্ত একটি মামলা। এই মামলায় সাক্ষ্য দেয়ার জন্য তিনি আগামী মাসে লন্ডনে ফিরবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ মাসের শুরুতে বৃটেনভিত্তিক ট্যাবলয়েডটি প্রিন্স হ্যারির কাছে ক্ষমা চেয়েছিল।
এনএইচ





