ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়েদ ইব্রাহিম রাইসি ইসরাইলকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যেসব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তাতে খুব শিগগির ইসরাইলের পতন হতে পারে।

বৃহস্পতিবার সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনের কয়েকজন নেতা, সামরিক শাখার কমান্ডার এবং বুদ্ধিজীবীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর মধ্যে ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রেসিডেন্ট রাইসি বলেন, পুরো মুসলিম বিশ্ব ইসরাইলের পতন, পবিত্র আল কুদসের মুক্তি এবং স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র দেখতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে যুদ্ধের ময়দানে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের হাতে, আলোচনার টেবিলে নয়। যেসব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তাতে আমরা বিশ্বাস করি ইসরাইলের পতন অতি নিকটে।

তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের ইচ্ছাশক্তির ওপর ভিত্তি করেই ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের সার্বভৌমত্ব নির্ধারিত হবে। পশ্চিমারা যদি গণতন্ত্র চায়, তা হলে ফিলিস্তিনি জনগণের ভোটকে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকতে হবে।

ইরান তুরস্ক ও সিরিয়াকে নিয়ে রাশিয়ার বৈঠক ১০ মে

আগামী ১০ মে এ চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আলোচনায় বসছেন বলে শুক্রবার নিশ্চিত করেছে রাশিয়া। খবর আনাদোলুর।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগ্লু গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিবর্তে অন্য কোনো প্রতিনিধি এ বৈঠকে যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে।

কারণ এ সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আফ্রিকা সফর করার কথা রয়েছে। তুর্কি গণমাধ্যম টিভি২৪কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শুক্রবার এসব কথা বলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগ্লু আরও বলেন, সিরিয়ার নিরাপত্তার কথা ভেবেই দেশটির উত্তরাঞ্চলে মোতায়েন করা তুর্কি সেনাদের প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। সেখান থেকে তুর্কি সেনা প্রত্যাহারের সঙ্গে সঙ্গে সন্ত্রাসী গ্রুপ ওই এলাকাটি দখল করে ফেলবে।

সিরিয়ার পাশাপাশি এসব সন্ত্রাসী গ্রুপ তুরস্কের নিরাপত্তার জন্যও বিরাট হুমকি। এ ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই তুরস্কের।

আগামী ১০ মে মস্কোতে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে আসলে কি নিয়ে আলোচনা হবে তা এখনো জানা যায়নি।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে মস্কোতে সিরিয়া, রাশিয়া এবং তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও গোয়েন্দাপ্রধানরা সিরিয়ার যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন।

এবার ওই তিন দেশের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ইরান। এর আগে তুরস্ক জানিয়েছে, আঙ্কারা খুরই খুশি হবে যদি এ আলোচনায় ইরান অংশগ্রহণ করে। মূলত তুরস্কের ইচ্ছায় এতে ইরানকে যুক্ত করা হয়েছে।

এনইউশো