ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে তেহরানের অদূরে ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে যে গুজব ছড়ানো হয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।

ইরানের সড়ক ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী মোহাম্মাদ এসলামি বলেছেন, ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দেয়ার কারণে ওই বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

বুধবার (০৮ জানুয়ারি) ভোররাতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইরাকের আল-আনবার প্রদেশে অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাঁটি আইন আল-আসাদে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। প্রায় একই সময়ে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিয়েভগামী ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান তেহরান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যে তেহরানের অদূরে পারান্দ এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। এই মারাত্মক দুর্ঘটনায় বিমানটির ১৭৯ আরোহীর সবাই নিহত হন।

ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের একই সময়ে ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কারণে পশ্চিমা সংবাদ সূত্রগুলো অনুমানের ওপর নির্ভর করে বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সংশ্লিষ্টতা প্রমাণের চেষ্টা করে।

এ সম্পর্কে ইরানের মন্ত্রী বলেন, “সন্ত্রাসী হামলা, বিস্ফোরণ কিংবা গুলি করে বিমানটি ভূপাতিত করার গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কিন্তু সেসব ঠিক নয়। বিমানটি কারিগরি ত্রুটির কারণেই বিধ্বস্ত হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, এসব গুজব যদি সত্যি হতো তাহলে বিমানটি আকাশেই বিস্ফোরিত হতো। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিমানটিতে কারিগরি ত্রুটির কারণে আকাশে থাকতে আগুন ধরে যায় এবং পরে এটির উচ্চতা কমতে থাকে এবং এক সময় মাটিতে আছড়ে পড়ে।

মোহাম্মাদ এসলামি জানান, মার্কিন বোয়িং কোম্পানির ইরানি বিশেষজ্ঞ ও টেকনিশিয়ানরা বিধ্বস্ত বিমানটির ব্ল্যাক বক্স পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন।

এমবি