ভারতের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং সামরিক বাহিনীসহ অন্তত ১০টি নামিদামি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে পাকিস্তানভিত্তিক হ্যাকাররা।
ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লীভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক দি স্টেটসম্যান এর বরাত দিয়ে ইংরেজি দৈনিক ডি ডেইলি স্টারের এক প্রতিবেদনে আজ (বুধবার) এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
হ্যাকড হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয় (Delhi University- DU), আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (Aligarh Muslim University- AMU) এবং নিউ দিল্লীভিত্তিক ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (Indian Institute of Technology- IIT) এবং ইন্ডিয়ান ইনিস্টিটিউট অব টেকনোলজি বিএইচইউ (Indian Institute of Technology BHU- IIT BHU)।
এ ঘটনাকে বড় ধরনের সাইবার হামলা হিসেবে দেখছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর দেশটির অপরাপর বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
যেই গ্রুপটি এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটিয়েছে তারা নিজেদেরকে পাকিস্তান হ্যাক্সরস ক্রু (Pakistan Haxors Crew -PHC) বলে আখ্যায়িত করেছে।
ওই গ্রুপটি হ্যাকড হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েব সাইটে একটি বার্তা দিয়ে রেখেছে। সেখানে লেখা রয়েছে কোন কিছুই মুখে ফেলা হয়নি কিংবা চুরি করা হয়নি। এখানে সব ভারতীয়দের উদ্দেশ্যে শুধুমাত্র আমার একটি বার্তা দেয়া হয়েছে।
হ্যাকড হওয়া ১০টি ওয়েব সাইটেই ওই বার্তাটি রয়েছে এবং সেখানে বলা হয়েছে- ভারতের মহামান্য সরকার ও ভারতের জনগণ, শুনুন। আপনারা কি জানেন আপনাদের তথাকথিত বীর (সেনারা) কাশ্মিরে কি করেছেন? আপনাদের কি জানা আছে তারা কাশ্মিরে বহু নিস্পাপ মানুষকে হত্যা করছে?
বার্তায় আরো বলা হয়েছে, “আপনারা কি জানেন তারা বহু নারীকে ধর্ষণ করেছে? জানেন কি তারা এখনো কাশ্মিরে নারীদের ধর্ষণ করছে? আপনাদের কেমন লাগতো যদি আপনাদের ভাই-বোন-পিতা ও মাতাদের হত্যা করা হতো? যদি কেউ আপনার মা ও বোনকে ধর্ষণ করতো তাহলে কেমন লাগতো আপনাদের? আপনার জীবন ও পরিবার কি ধ্বংস হয়ে গেছে?”
হ্যাকড হওয়া অপর প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে কোটা বিশ্ববিদ্যালয় (University of Kota), আর্মি ইউস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি (Army Institute of Management and Technology), গ্রেটার নইদা (Greater Noida), ডিফেন্স ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভ্যান্সড টেকনোলজি (Defence Institute of Advanced Technology), আর্মি ইউস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট, কোলকাতা (Army Institute of Management, Kolkata), ন্যাশনাল এয়ারোস্পেস ল্যাবরেটরিস (National Aerospace Laboratories) এবং ব্রড অব রিসার্স ইন নিউক্লিয়ার সায়েন্স (Board of Research in Nuclear Sciences- BRNS)।
কেবি





