পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে ১৯টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। জ্বালানি, অবকাঠামো খাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। শনিবার এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। খবর ডনের।

চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষ্যে এখন বেইজিং সফরে রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ। দু'দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে পাকিস্তানের পক্ষে পাঞ্জাবের মূখ্যমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ, শহীদ কাকন আব্বাসি এবং আহসান ইকবাল, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক বিশেষ সহকারী তারিক ফাতেমী চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন চীনের জাতীয় উন্নয়ন ও পুনর্গন কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা।

চুক্তিগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক প্রতিষ্ঠা, কায়েদ-ই আজম সোলার পার্ক প্রতিষ্ঠা, দুদেশের মধ্যে অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের জন্য সহজ শর্তে ঋণ অনুমোদন, থর মরুভূমিতে অবস্থিত একটি কয়লাখনি থেকে ৬৫ লাখ মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন, ৮৭০ মেগাওয়াটের একটি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্প, ১৩২০ মেগাওয়াটের শাহীওয়াল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র উল্লেখযোগ্য।

অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহায়তার লক্ষ্যেও একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ ছাড়া ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ঝিমপির বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৈঠকের পর নওয়াজ শরীফ জানান, তার দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা সমাধানে সব ধরনের সহায়তা দিতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে চীন। পাকিস্তান জানিয়েছে, তার দেশ স্থায়ীভাবে জ্বালানি সংকটের সমাধান চায়।

এমএ