[b]ম্যানিলা:[/b] চীনের হুমকির প্রেক্ষাপটে ফিলিপাইন তাদের জলসীমার নিরাপত্তা জোরদারে আরো দু’টি মার্কিন নৌ জাহাজ পেতে চায়। বুধবার ফিলিপাইনের সামরিক প্রধান একথা জানান। খবর এএফপি’র।
সশস্ত্র বাহিনীর চীফ অব স্টাফ জেনারেল ইমানুয়েল বাতিস্তা জানান,দু'দেশের মধ্যকার নতুন সামরিক সহযোগিতার আওতায় এ দু’টি জাহাজ আনা হবে। গত মাসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির ফিলিপাইন সফরকালে তিনি এ সামরিক সহযোগিতার ঘোষণা দেন।
বাতিস্তা এএনসি টেলিভিশনকে বলেন,"গত বছর আমরা উপলব্ধি করতে পারি সেখানে আমাদের ভূখন্ড রক্ষার ক্ষেত্রে অনেক হুমকি রয়েছে।"
তিনি জানান,"ফিলিপাইনের দীর্ঘ উপকূল অঞ্চলের কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের প্রায় আরো ছয়টি ফ্রিগেট প্রয়োজন।"
বাতিস্তা বলেন,"আগামী দু’ বছরের মধ্যে এ দু’টি জাহাজ পাওয়া যাবে বলে আমরা আশাবাদী।" সূত্র: এএফপি
টাইম নিউজ/এসএমএ
আমেরিকার কাছে যুদ্ধজাহাজ চাইল ফিলিপাইন
ম্যানিলা: চীনের হুমকির প্রেক্ষাপটে ফিলিপাইন তাদের জলসীমার নিরাপত্তা জোরদারে আরো দু’টি মার্কিন নৌ জাহাজ পেতে চায়। বুধবার ফিলিপাইনের সামরিক প্রধান একথা জানান। খবর এএফপি’র।
দ্য গার্ডিয়ান হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ মনে করেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ভারত-আমেরিকা কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এবার আমরা দুটি ভোট দিয়েছি, কিন্তু এখনো গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হয়নি। আপনারা যারা প্রথমবার হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, আপনাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য। আমরা কারোরই আধিপত্য মেনে নেব না—ভারতেরও না, আমেরিকারও না।
হরমুজ প্রণালি আমেরিকার খেলার মাঠ নয়: ইরানি সামরিক বাহিনী
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর সতর্ক করেছে যে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য ইরানের নির্ধারিত সামুদ্রিক পথ ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় পরিণতি ভোগ করতে হবে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আমেরিকা-ইরান চুক্তি: মধ্যস্থতা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত পাকিস্তান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তিন মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ধুঁকতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরাতে একটি যুগান্তকারী চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বলিষ্ঠ মধ্যস্থতা সোমবার বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্বনেতারা এ ঐতিহাসিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
যেভাবে ধনী হচ্ছেন আমেরিকার অনেক মানুষ
১৯৯৪ সালে গ্রেগ ফ্লিন যখন বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিজনেস স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন, তখন আমেরিকায় ‘ডটকম’ বা ইন্টারনেট বিপ্লবের জয়জয়কার। তার সহপাঠীরা সবাই বড় বড় করপোরেট সংস্থায় যোগ দিয়ে রাতারাতি কাগজে-কলমে ‘মিলিয়নিয়ার’ বনে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ফ্লিন হাঁটলেন ভিন্ন পথে। এক বন্ধুর রেস্তোরাঁ ব্যবসায় সাহায্য করতে যোগ দিলেন তিনি। এর কয়েক বছর পর আমেরিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থার দারুণ অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফ্লিন নিজেই আটটি ‘অ্যাপলবিস’ রেস্তোরাঁ কিনে নেন।
















