মানব বসতিহীন অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে এবার পাড়ি জমাতে যাচ্ছে তুরস্ক। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে অ্যান্টার্কটিকায় একটি স্থায়ী গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করবে তুরস্ক। এ লক্ষ্যে আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারির মধ্যেই বিজ্ঞানীদের একটি প্রতিনিধি দলকে অ্যান্টার্কটিকায় পাঠাতে যাচ্ছে দেশটি। খবর ওয়ার্ল্ডবুলেটিনের।

গবেষণাগারটি তৈরি করতে পাচ বছর লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের 'অ্যান্টার্কটিক পোলাপর সায়েন্টিফিক রিসার্চ সেন্টার'-এর প্রধান আবদুর রহমান কুলনাক। স্থায়ী ওই গবেষণাগারে ৫ থেকে ১০ জন তুর্কি বিজ্ঞানীর একটি দল সবসময় অবস্থান করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আগামী ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে তুরস্কের প্রতিনিধি দলটি অ্যান্টার্কটিকায় যাবেন সেখানকার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে দেখতে। সেখানে তারা রাশিয়া এবং বুলগেরিয়ার গবেষণা কেন্দ্রগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে তুরস্কের ১৬ জন বিজ্ঞানীকে অ্যান্টার্কটিকার পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্যে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় কৌশল শিখানো হচ্ছে।

কুলনাক বলেন, "অ্যান্টার্কটিকায় কোন দেশের মালিকানা নেই। সেখানে মূলত বিভিন্ন দেশের সম্মিলিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে। সেখানে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজন বৈজ্ঞানিক গবেষণগার নির্মাণ। আর আমরা এজন্যেই কাজ করে যাচ্ছি।"

উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালে অ্যান্টার্কটিকায় স্টেশন নির্মাণ করে বুলগেরিয়া। বুলগেরিয়াসহ ৩০টি দেশ সেখানে অবকাঠামো এবং গবেষণাগার নির্মাণ করেছে।

কুলনাক বলেন, "আমেরিকা সেখানে একটি বিমানবন্দর নির্মাণ করেছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি আবাসন ব্যবস্থাও প্রতিষ্ঠিত করেছে দেশটি। এসব আবাসিক অঞ্চলে প্রায় হাজারখানেক মার্কিন নাগরিক বাস করে।" সূত্র: ওয়ার্ল্ডবুলেটিন

এসএমএ