ইউরোপের একমাত্র দেশ গ্রীস, যে দেশের রাজধানীতে কোন মসজিদ নেই। তাই গ্রীসের রাজধানী এথেন্সবাসী কয়েক হাজার মুসলমান চেয়েছিলেন একটি মসজিদ বানাতে। কিন্তু এ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনীতি।
এথেন্সে একটি মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে গ্রিসজুড়ে রাজনীতি বেশ জমে উঠেছে। আগামী ১৮ মে'র স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এটি এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
এথেন্সের বর্তমান অন্তর্বর্তী মেয়র ইয়ুরগুস কামিনিস অবশ্য মসজিদ নির্মাণের পক্ষে। তার মতে এথেন্সে মসজিদ নির্মাণ আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়ে। কিন্তু বাধ সেধেছে পার্লামেন্টের বেশ ক'জন সদস্য।
নিউ ডেমোক্রেসি পার্টি থেকে এথেন্সের মেয়র পদপ্রার্থী অ্যারিস স্পিলিওটোপইলোস জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচিত হলে এথেন্সে একটি গণভোটের আয়োজন করবেন। গণভোটের মাধ্যমে জনগণই সিদ্ধান্ত নিবেন এথেন্সে মসজিদ নির্মিত হবে কি না।
এদিকে, বামপন্থী মেয়র প্রার্থী কামিনিস অ্যারিসের এ ভোটাভুটির সিদ্ধান্তকে সমালোচনা করেছেন।
এদিকে, গ্রীসের শিক্ষা ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী ইয়ুরগস কালাসিস বলেছেন, মসজিদ নিয়ে গণভোট হলে তা আন্তর্জাতিক মহলে গ্রীসের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে গ্রীস পার্লামেন্ট এথেন্সে একটি মসজিদ নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছিল। এথেন্সে বসবাসকারী কয়েক হাজার মুসলিমের আবেদনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এ অনুমোদন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু, পরবর্তীতে এ নিয়ে রাজনীতি শুরু হয়। ফলে তা আটকা পড়ে। গ্রীসের এ ধরনের ন্যাক্করজনক কর্মকাণ্ডে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল নিন্দা জানিয়েছে। সূত্র: ওয়ার্ল্ডবুলেটিন
[b]ঢাকা, ০৮ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি) //এমএ[/b]
আন্তর্জাতিক
একমাত্র মসজিদ নিয়ে উত্তপ্ত গ্রীসের রাজনীতি
ইউরোপের একমাত্র দেশ গ্রীস, যে দেশের রাজধানীতে কোন মসজিদ নেই। তাই গ্রীসের রাজধানী এথেন্সবাসী কয়েক হাজার মুসলমান চেয়েছিলেন একটি মসজিদ বানাতে। কিন্তু এ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনীতি। এথেন্সে একটি মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে গ্রিসজুড়ে রাজনীতি বেশ জমে উঠেছে।





