মালদ্বীপের বিরোধী দলের ১২ এমপিকে বহিষ্কার করেছে দেশটির শীর্ষ আদালত। দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিনের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করা সংক্রান্ত সোমবার একটি পার্লামেন্ট ভোটাভুটির আগে তাদের বরখাস্ত করা হল। রোববার ওই এমপিদের মুক্তি ও পুনরায় পদে বহাল রাখার জন্য দেয়া আগের আদেশ প্রত্যাহার করে নেয় সুপ্রিমকোর্ট। শীর্ষ আদালতের ওই রায়কে কেন্দ্র করে দেশটিতে চরম সংকট তৈরি হয়।
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ১৫ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। চলমান জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও ১৫ দিন বাড়াতে চান ইয়ামিন। সোমবার এজন্য তিনি দেশটির পার্লামেন্টের কাছে অনুমোদন চেয়েছেন। খবর রয়টার্স ও এএফপির।
পার্লামেন্টের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল ফাতমাথ নিউশা দেশটির আইনপ্রণেতাদের জানান, পরিস্থিতির এখনও পরিবর্তন হয়নি। ৬ ফেব্রুয়ারি ১৫ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেন ইয়ামিন। মঙ্গলবার এ জরুরি অবস্থার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে মেয়াদ আরও ১৫ দিন বাড়ানোর জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন চাইলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।
সর্বোচ্চ আদালতের দেয়া একটি ঐতিহাসিক আদেশকে কেন্দ্র করে মালদ্বীপে রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হয়। জরুরি অবস্থা জারির পর গ্রেফতার হন প্রধান বিচারপতি আবদুল্লাহ সাঈদ ও বিচারপতি আলি হামিদ। শুরু থেকেই সংকট নিরসনের ব্যাপারে ভারতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আসছে মালদ্বীপের সুপ্রিমকোর্ট।
প্রেসিডেন্ট ইয়ামিন চীন ও সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ। দুই দেশই মালদ্বীপে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ শিপিং লেনগুলোর নিকটে অবস্থানের কারণে চীনের কাছে মালদ্বীপের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে মালদ্বীপে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকাতে চায় ভারত।
ভারত এক বিবৃতিতে সুপ্রিমকোর্টের আদেশ মানতে মালদ্বীপ সরকারের অস্বীকৃতিকে ‘বিরক্তিকর’ বলে উল্লেখ করে। আর চীনের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সতর্ক করে বলা হয়, মালদ্বীপের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে বহির্বিশ্ব হস্তক্ষেপ করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
এসএম
আরও পড়ুন........





