গ্রিস থেকে মেসিডোনিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করলে শরাণর্থীদের ওপর টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। এতে কমপক্ষে চারজন আহত হয়েছেন, যাদেরকে গ্রিসের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

মেসিডোনিয়ার সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার জরুরী ঘোষণা আসার পর সারা রাত নো-ম্যানস-ল্যান্ডে রাত কাটান শরণার্থীরা। সেখান থেকে শুক্রবার মেসিডোনিয়ায় প্রবেশ করতে চেষ্টা করলে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তারা।

"তারা আজ আমাদের উপর গুলি চালিয়েছে, তারা আজ আমাদের উপর গুলি চালিয়েছে, আমি আপনাকে এটা বলতে পারি, আমি নিজে দেখেছি। আমরা তাদের সীমানার সামনে ছিলাম। কর্মকর্তারা, তারা....মেসিডোনিয়ার পুলিশ কর্মকর্তারা, তারা সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে।" - নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে এভাবেই কথাগুলো বলেছিলেন এক শরণার্থী।

মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও এশিয়া থেকে হাজার হাজার মানুষ ইউরোপে পাড়ি জমিয়েছেন। বিশেষ করে যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে হাজার হাজার শরণার্থী আশ্রয়ের খোঁজে ইউরোপে পালিয়ে গিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে মেসিডোনিয়া একটি জরুরী প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং তাদের দক্ষিণাঞ্চলের সীমানা বন্ধ করে দেয়। ফলে শরণার্থীরা মারাত্মক শীতের মধ্যে নো-ম্যানস-ল্যান্ড এক অমানুষিক কষ্টে রাত কাটান।

সম্প্রতি প্রতিদিন দেড় হাজার থেকে দুই হাজার উদ্বাস্তু মানুষরা মেসিডোনিয়ায় পৌঁছান। সেখানকার রেল স্টেশন থেকে রেলে উঠতে মানুষজন রীতি মতো যুদ্ধ করছেন। জানালা দিয়ে চাপাচাপি করে শিশুরা বাইরে থাকিয়ে থাকে। প্রতিদিনই এমন করুণ দৃশ্য দেখা যায়।

তবে মেসিডোনিয়া কর্তৃপক্ষ কোনো সংঘর্ষের কথা উড়িয়ে দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রাণালয়ের মুখপাত্র ইভো কোতেবস্কি বলেছেন, কোনো টিয়ার গ্যাস, কোনো অপ্রত্যাশিত ঘটনা, কোনো কিছুই মেসিডোনিয়ার পক্ষ থেকে ঘটানো হয়নি।

জেডআই