মধ্যপ্রাচ্য থেকে ছুটে আসা শরণার্থীদের ঢল ঠেকাতে দেশে জরুরী অবস্থা জারি করেছে হাঙ্গেরি। এরপর সোমবার অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার অভিযোগে ১০ হাজার শরণার্থীকে আটক করেছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

মঙ্গলবার কমপক্ষে আরো ৬০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা সিরিয়ান ও আফগান শরণার্থী বলে জানিয়েছেন পুলিশের মুখপাত্র ভিক্টোরিয়া সিজার কুভাকাস।

হাঙ্গেরিয়ান প্রধানমন্ত্রী ভিক্টোর ওরবান জানিয়েছেন যে আশ্রয় প্রার্থীদেরকে সার্বিয়া থেকে হাঙ্গেরিতে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। কারণ সার্বিয়া শরণার্থীদের জন্য নিরাপদ, যেখানে তাদের কোনো যুদ্ধ বা নিপীড়নের ঝুঁকি নাই।

এদিকে সীমান্ত এলাকায় শরণার্থীদের জন্য শিবির খোলার জন্য হাঙ্গেরির সঙ্গে আলোচনা করেছে সার্বিয়া। সার্বিয়ার এক মন্ত্রী বলেছেন যে বুদাপেস্ট তাদের সীমান্ত খুলে দিতে পারে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনের মুখপাত্র মেলিসা ফ্লেমিং মঙ্গলবার বলেছেন, হাঙ্গেরি সার্বিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ায় শরণার্থীরা অন্য রুট ব্যবহার করতে পারেন।

২০১৫ সালে এখন পর্যন্ত দু'লাখেরও বেশি শরণার্থী হাঙ্গেরিতে প্রবেশ করেছেন। তাদের প্রায় সবাই পায়ে হেঁটে সার্বিয়ার সীমান্ত থেকে দেশটিতে পৌঁছেছেন।

হাঙ্গেরি ও সার্বিয়া সীমান্তের রোজকে গ্রাম থেকে আল জাজিরার মোহাম্মদ জামজুম জানিয়েছেন, যত শরণার্থী পার হচ্ছিল তার চেয়ে বেশি সেনা সদস্য ও পুলিশ সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি বলেছেন, "আমরা শুনতে পেরেছি যে গত ২০ মিনিটে বেশ কিছু মানুষ এখান দিয়ে সীমান্ত পার হয়েছে। তারা সম্ভবত দাপ্তরিকভাবে সীমান্ত পার হয়েছে। সেখানকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে আমরা বুঝতে পেরেছি যে তারা শরণার্থীদেরকে হাঙ্গেরীর সীমান্তে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না।"

জামজুম আরো বলেছেন, "কমপক্ষে তিন/চার শ' শরণার্থী হাঙ্গেরি সীমান্তে প্রবেশ করতে কর্তৃপক্ষের কাছে বিনতি অনুরোধ করছেন।"

জেডআই