আজ ৯০ বছরে পা রাখলেন কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো। প্রায় অর্ধ শতাব্দি সময় ধরে কিউবার নেতৃত্বে থাকা এই সমাজতান্ত্রিক নেতার জন্মদিন উপলক্ষে কিউবার সরকারি পত্রিকায় বিশেষ সংখ্যা করা হয়েছে। এছাড়া জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে ছুটে গেছেন ভেনিজুয়েলার সমাজতান্ত্রিক নেতা নিকোলাস মাদুরো।
৯০ বছরে পা রাখার বহু আগেই বৈশ্বিক রাজনীতির ইতিহাসের একটি বড় অংশে নিজের অবস্থান পোক্ত করেছেন কাস্ত্রো। কোনো দেশে কাস্ত্রোকে সমাজতান্ত্রিকরা তাদের নায়ক হিসেবে কল্পনা করে। আবার পশ্চিমাসহ অনেক দেশেই ঘৃণার পাত্র বিপ্লবী এই নেতা। কাস্ত্রোর ৪৮ বছরের শাসনামলে ১০ জন মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। তবে সেই চিরশত্রু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর কিউবার শত্রু নেই, তাকে বন্ধু বলেই গ্রহণ করেছে কাস্ত্রোর দেশ।
৯০ বছরে এসে কাস্ত্রোর শরীরে চামড়াগুলো আজ কুঁচকে গেছে। মাথার চুল আর মুখের দাড়ি-সবকিছুতেই শুভ্রতার ছাপ। তবে ১৯৫৯ সালে যখন তিনি স্বৈরশাসক বাতিস্তুতার সরকারকে উৎখাত করেন তখন তার চুল-দাড়ি কিন্তু কালোই ছিল।
ফিদেল আলেসান্দ্রো কাস্ত্রো রুজের জন্ম ১৯২৬ সালের ১৩ আগস্ট। বাতিস্তুতা সরকারকে উচ্ছেদের পর ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ১৯৭৬ পর্যন্ত কিউবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০০৮ সালে ভাই রাউল কাস্ত্রোর কাছে ক্ষমতা অর্পণ করেন তিনি।
কাস্ত্রো তার সুদীর্ঘ শাসনামলে কিউবার জনগণের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন ও শিক্ষার ব্যবস্থা করেছেন। তাই কিউবার জনগণ তাকে বিনম্র চিত্তেই স্মরণ করেন।
ম্যানুয়েল ব্রাভো নামে এক শ্রমিক বলেন, ‘ ফিদেলই সব। সেই খেলাধুলা, সেই সংস্কৃতি। সে একজন বিপ্লবী। যদি কিউবানরা বিপ্লবী হয়, তাহলে এর জন্য ফিদেলকে ধন্যবাদ।’
এমএনজে





