এবার কাশ্মির দখলের হুমকি দিয়েছে আইএস। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি দিয়েছিল এই সন্ত্রাসী সংগঠনটি।

গণমাধ্যমে প্রকাশ, আইএস এর মুখপত্র ‘দাবিক’-এর ১৩তম সংস্করণে সংগঠনটির পাক-আফগান শাখার কমান্ডার হাফিজ সাঈদ খান বলেছেন, ইতিহাস সাক্ষী দেয় এখানে (কাশ্মির) মুসলমানদের শাসন ছিল।

কিন্তু এখানে এখন গো-পূজক হিন্দু এবং নাস্তিক চীনারা বসতি স্থাপন করেছে।

এদের শেষ করতে এবং ‘খলিফার শাসন’ বৃদ্ধি করতে প্রস্তুতি নেয়া হছে। এজন্য হাফিজ সাঈদ খান আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান এলাকায় আইএস’র নিয়ন্ত্রণ থাকা খুব জরুরি বলে মন্তব্য করেছে।

আফগান-পাক এলাকা ‘খলিফার শাসন’ বৃদ্ধি করার জন্য গেটওয়ে বলেও মন্তব্য করেছে সন্ত্রাসী নেতা হাফিজ সাঈদ খান।

‘দাবিক’-এ আইএসআই দাবি করেছে, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের পাঁচ প্রশাসনিক শাখা তাদের কব্জায় রয়েছে।

ইরাক এবং সিরিয়ার মতো এখানেও কথিত ‘শরীয়তী আইন’ অনুযায়ী নাগরিক শাসন চালু করা হয়েছে।

কাশ্মির দখল করার পরিকল্পনা ঘোষণার আগেই অবশ্য আইএসআই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছিল।

গত ডিসেম্বরেই প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ‘ইসলামের শত্রু’ বলে অভিহিত করেছে তারা। মোদিকে ‘অস্ত্রের পূজারি’ আখ্যা দিয়ে তিনি মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও দাবি করেছিল আইএস।

‘ব্ল্যাক ফ্রাগ ফ্রম আইসিস’ নামে ই-বুকে বলা হয়েছিল, ‘প্রেসিডেন্ট মোদি হলেন একজন ডানপন্থী হিন্দু জাতীয়তাবাদী, যিনি অস্ত্রকে পুজো করেন।

ভবিষ্যতের মুসলিম-বিরোধী যুদ্ধে নিজের দলবলকে তৈরি করছেন তিনি।

দলে আরো লোক টানার জন্য ওদের একটা রাজনৈতিক শাখাও রয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর সাহায্যে ওরা সন্ত্রাসবাদী অভিযান চালাতে চায়, ওদের একনম্বর শত্রুর বিরুদ্ধে- যারা হল মুসলিম।’

আইএস-এর হুমকি এবং তাতে ভারতীয় মুসলমানদের শামিল করতে পারার দাবিকে অবশ্য আগেই উড়িয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।

তিনি সাফ জানান, আইএস-এর ভারতে কোনো প্রভাব নেই। ওই সংগঠনে ভারতীয়দের অন্তর্ভুক্ত করতে আইএস ব্যর্থ হবে বলেও জানান রাজনাথ।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালও আইএস-এর প্রভাব সংক্রান্ত বিষয় নাকচ করে বলেছেন, দেশ এ ধরনের সংগঠনের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

মুসলিমদের ধর্মীয় নেতারাও আইএসকে সমর্থন করেন না বলেও দোভাল জানান।

এসএইচ