ভারতে ১৭ তম লোকসভা নির্বাচনের এরই মধ্যে ফলাফল গণনা ও ঘোষণা করা শুর হয়েছে। কয়েক ধাপে সারাদেশে লোকসভা নির্বাচনের পর এখন শুধু দেখার বাকি ক্ষমতার মসনদে কে?

এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছে এবং অনেকটাই ক্ষমতার মসনদ নিশ্চিত করে ফেলেছে ক্ষমতাসীন মোদির বিজেপির জোট এনডিএ।

মোট ৫৪৩টি আসনের মধ্যে নির্বাচনর হয়েছে ৫৪২টিতে। আর মোদির জোট এগিয়ে আছে ৩২৭টি আসন নিয়ে যেখানে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিলো ২২৭টি। অপরদিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ এগিয়ে আছে ১০৮ টি এবং অন্যান্য বিরোধী দল এগিয়ে ১০৮ আসনে।

বেসরকারি ফলাফলে ইতোমধ্যেই স্বপ্নটা বাস্তবে রুপান্তির হয়ে গেছে মোদির জন্য। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার অপেক্ষা। সব কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে আজ আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

সারাদেশ জুড়ে প্রায় দেড় মাস ধরে সাত দফায় নির্বাচন শেষ হয়েছে। নির্বাচনের শেষের দিন থেকেই অবশ্য সামনে এসেছে বিভিন্ন সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষার ফলাফল।

ওই ফলাফলের হিসাবেও বাকি সবার চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে শাসকদল এনডিএ জোটকেই। দেশজুড়ে ভাল ফল করতে চলেছে বিজেপি, এমনটাই অভিমত পাওয়া গেছে বেশির ভাগ বুথফেরত সমীক্ষাতে। প্রাথমিক ফলাফলেও সেটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

তবে লজ্জাজনক পরাজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। উত্তর আমেঠি বরাবরই গান্ধী-নেহেরু পরিবারের আসন হিসেবেই পরিচিত। কয়েক দশক ধরে ভারতের রাজনীতিতে ওই আসনটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এই পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু সেখানেই এবার পিছিয়ে পড়েছেন রাহুল গান্ধী। ৪৮ বছর বয়সী রাহুল গান্ধী এই এলাকা থেকে আগে তিনবার এমপি হয়েছেন।

এবার লড়ছেন চতুর্থ বারের মতো। তবে এ আসনে হারলেও তিনি পার্লামেন্টের বাইরে চলে যাচ্ছেন না। কারণ কেরালার ওয়েনাডেতে বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে আছেন রাহুল।

গত ১১ এপ্রিল থেকে ১৯ মে- মোট সাতটি ধাপে লোকসভা নির্বাচনের ভোট হয়েছে। সারা দেশে মোট ভোটার ছিল প্রায় ৯০ কোটি। এক হাজার ৮শ ৪১টি রাজনৈতিক দলের আট হাজারেরও বেশি প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৭২০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থী ছিল ৪ জন। ১৯৫১-৫২ সালে ভারতের প্রথম লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হতে সময় লেগেছিল তিন মাস।

জেড