দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে গত কয়েকদিন তুমুল উত্তেজনা-সংঘর্ষ সত্ত্বেও পবিত্র আল আকসা মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজে বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি অংশ নিয়েছেন।

ইসরায়েলের হুমকি-ধামকি ও সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেই বৃহস্পতিবার (১৩ মে) মসজিদটিতে জামায়াতের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন কয়েক হাজার মুসল্লি।

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের ক্রমাগত বিমান হামলা ও আল-আকসায় তাণ্ডবের জেরে এবারের ঈদুল ফিতরের সব আয়োজন বাতিল ঘোষণা করেছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। কিন্তু এরপরও বৃহস্পতিবার (১৩ মে) মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদটিতে ঢল নামে মুসল্লিদের।

এদিকে বৃহস্পতিবার ঈদের দিনও গাজায় বোমা বর্ষণ অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। এদিন ফিলিস্তিনিদের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে কয়েক দফা বিমান হামলা চালিয়েছে তারা। ইসরায়েলের হামলায় হামাসের গাজা শহরের কমান্ডার বাসেম ইসাসহ বেশ কয়েকজন নেতা নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চত করেছে সশস্ত্র সংগঠনটি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সেখানে ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ জন। এদের মধ্যে অন্তত ১৭টি শিশু ও ৮জন নারী রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩৯০ ফিলিস্তিনি। বর্বর এ হামলার জবাবে হামাসও ইসরায়েলে একঝাঁক রকেট হামলা চালিয়েছে। এতে সেখানে অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গত কয়েকদিনে তাদের দিকে প্রায় দেড় হাজার রকেট নিক্ষেপ করেছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো। ফিলিস্তিনিদের এ হামলা ছাড়াও অভ্যন্তরীণ দাঙ্গায়ও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ইসরায়েল। এর জেরে লড শহরে রাতভর কারফিউ জারি করা হয়েছিল। স্পুটনিক নিউজ, মিডল ইস্ট আই 

এমবি