মঙ্গলবার (২১ফেব্রুয়ারি) তার প্রেস সার্ভিস কর্তৃক প্রকাশিত এক ভয়েস মেসেজে এই অভিযোগ আনেন প্রিগোজিন বলে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে।

ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে লড়ছে ওয়াগনার গ্রুপ। নিজেদের শক্তি বাড়াতে রাশিয়ার কারাগার থেকে বন্দিদের বাহিনীতে নিয়েছে গ্রুপটি। পূর্ব ইউক্রেনে বাখমুত দখলের অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে তারা। তবে গত কিছুদিন ধরে রুশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে ওয়াগনার গ্রুপের বিরোধের কথা প্রকাশ্যে আসছে। ক্রেমলিন অবশ্য এমন কিছু অস্বীকার করেছে।

প্রিগোজিন বলেছেন, রাশিয়ার চিফ অব জেনারেল স্টাফ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়াগনার গ্রুপ শুধু গোলাবারুদ দেওয়া বন্ধ করেনি, বরং আকাশ পরিবহনে কোনও সহযোগিতা করছে না। তারা একেবারে বিপরীত দিকে হাঁটছে। যা ওয়াগনারকে ধ্বংস করতে চাওয়ার চেয়ে কম কিছু না। এটিকে বড় ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখা যেতে পারে।

সেনাবাহিনীর শীর্ষ কমান্ড পরিখা খননে ওয়াগনার গ্রুপকে বেলচা সরবরাহ করছে না বলেও অভিযোগ করেছেন প্রিগোজিন।

যুদ্ধ শুরুর পর বেশ কয়েকবার রাশিয়ার নিয়মিত সেনাবাহিনীর সমালোচনা করেছেন প্রিগোজিন। সম্প্রতি সামরিক অগ্রগতি মন্থর হওয়ার জন্য রাশিয়ার আমলাতন্ত্রকে দায়ী করেছেন। ওয়াগনার গ্রুপের সাফল্য রুশ সেনাবাহিনী ‘চুরি’করছে বলেও অভিযোগ করেছেন।

রণক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীকে গোলাবারুদ সরবরাহ সীমিত করার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে তারা ওয়াগনার গ্রুপের ভাড়াটে বাহিনী প্রিগোজিনের অভিযোগের কোনও উল্লেখ করেনি।

এনএইচ