ফিলিস্তিনের জাতীয় দিবসে দেশটির জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুইডেনের রাজা। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবেই ফিলিস্তিনকে মূল্যায়ন করে থাকে ইউরোপের দেশ সুইডেন।

এর আগে গত ৩০ অক্টোবর ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সুইডেন। গত শনিবার ছিল ফিলিস্তিনের জাতীয় দিবস। ওইদিনই এক অনলাইন বার্তায় শুভেচ্ছা জানান সুইডিশ রাজা। সোমবার এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।

সুইডেনের রাজা ষোড়শ কার্ল গুস্তাফ ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের প্রতি এ শুভেচ্ছা বাণী পাঠান। শুভেচ্ছা বাণীতে সুইডিশ রাজা বলেন, "ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আমি আপনার (প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস) এবং আপনার দেশবাসীর সুস্বাস্থ্য ও সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন কামনা করছি।"

শুভেচ্ছা বার্তাটি রাজার পক্ষ থেকে পাঠিয়েছে রয়্যাল সুইডিশ কোর্ট। উল্লেখ্য, সুইডেনের রাজার এ ধরনের শুভেচ্ছা বাণীগুলো রয়্যাল কোর্টই পাঠিয়ে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতীয় দিবসে এই শুভেচ্ছা বাণী পাঠান সুইডিশ রাজা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পরামর্শের ভিত্তিতেই রাজা এ শুভেচ্ছা বাণী পাঠিয়ে থাকেন। গত ৩০ অক্টোবর যেহেতু ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সুইডেন, তাই দেশটির জাতীয় দিবসে শুভেচ্ছা বাণী পাঠালেন সুইডিশ রাজা। উল্লেখ্য, সুইডেনে রাজার পদটি হচ্ছে আলংকারিক।

১৯৮৮ সাল থেকে ১৫ নভেম্বরকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করে আসছে ফিলিস্তিনিরা। এ দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন ফিলিস্তিনের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাত।

উল্লেখ্য, সুইডেন হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত প্রথম পশ্চিম ইউরোপের দেশ যে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল। এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত বুলগেরিয়া, সাইপ্রাস, চেক রিপাবলিক, হাঙ্গেরি, মাল্টা, পোল্যান্ড ও রোমানিয়া ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়। তবে, এই দেশগুলোর সবগুলোই হচ্ছে পূর্ব ইউরোপের দেশ। এ ছাড়া, আইসল্যান্ড হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বহির্ভূত পশ্চিম ইউরোপের একমাত্র দেশ, যে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছি।

এমএ