মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও সিরিয়ায় হামলা চালাতে পারেন বলে একদল সিনিয়র মার্কিন কর্মকর্তা দাবি করেছেন।

তারা বলছেন সিরিয়ার আসাদ সরকার সম্ভবত নতুন ধরনের রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি করছে বলেই ট্রাম্প আবারও এই দেশটিতে হামলা চালাতে পারেন।

মার্কিন ওই কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বলেছেন, সিরিয়ার বাশার আল আসাদের সরকার রাসায়নিক অস্ত্র ভাণ্ডারের কিছু অংশ রেখে দিয়েছিল যদিও রুশ-মার্কিন চুক্তি অনুযায়ী সব রাসায়নিক অস্ত্রই ধ্বংসের জন্য হস্তান্তর করতে রাজি হয়েছিল দামেস্ক।

সিরিয়ার আসাদ সরকার বলে আসছে যে এই সরকারের সব রাসায়নিক অস্ত্রই ২০১৪ সালে জাতিসংঘ ও রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের কাজ তদারকে জড়িত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে সমর্পণ করেছে।

মার্কিন ওই কর্মকর্তারা আরও বলছেন যে সিরিয়ার আসাদ সরকার ২০১৭ সালের এপ্রিল মাস থেকে মাঝে মধ্যেই রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে অস্বীকার করেছেন।

গত বছরের ৪ এপ্রিল সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশের খান শাইখুন অঞ্চলে রাসায়নিক গ্যাস হামলার এক ঘটনায় ৮০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারায়। ওই ঘটনার জন্য সিরিয়ার সরকারকে দায়ি করে আমেরিকা ও তার মদদপুষ্ট কয়েকটি বিদ্রোহী গেরিলা গোষ্ঠী এবং ওই অজুহাতে একটি সিরিয় বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ট্রাম্প সরকার। সিরিয়া ও রাশিয়া রাসায়নিক হামলার মার্কিন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে এবং এ জাতীয় হামলা ও অভিযোগকে সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্যে তৈরি-করা কৃত্রিম নাটকের অংশ বলে উল্লেখ করেছে।

সিরিয়ার বেশিরভাগ অঞ্চলে যখন সরকারি বাহিনীর কর্তৃত্ব ফিরে এসেছে তখন এ ধরনের রাসায়নিক হামলায় সিরিয় সরকারের জড়িত হওয়ার দাবিকে খুবই অযৌক্তিক বলে মনে করছেন বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষকরা।

এমবি