ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দিলে পরমাণু যুদ্ধ শুরু হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রাশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষজ্ঞ স্টিফেন কোহেন।

তিনি বলেছেন, 'প্রথমত ন্যাটো তার আইনের সীমাবদ্ধতার কারণেই ইউক্রেনকে সদস্য করতে পারবে না। কারণ নিজস্ব ভূখণ্ডের ওপরই ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণ নেই। এরিমধ্যে ক্রিমিয়া হারিয়েছে এবং দোনবাসও হারানোর পথে। দ্বিতীয়ত ন্যাটো বাহিনীতে যোগ দিতে ইচ্ছুক যে কোনো দেশকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়, যা ইউক্রেনের জন্য সম্ভব নয়।

তৃতীয় যে বিষয়টি আমলে নিতে হবে তা হলো- ইউক্রেন শুধু অত্যাবশ্যকীয় নিরাপদ জোন হিসেবেই রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত নয় বরং দুই দেশের লাখ লাখ লোকের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন,ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দিলে রাশিয়া সামরিক উপায়ে এর জবাব দেবে এবং এতে লাখ লাখ পরিবারের পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মার্কিন এই বিশেষজ্ঞ অভিযোগ করেন, পশ্চিমা শক্তিই ইউক্রেন সংকটের জন্য দায়ী।

তিনি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে চলমান যুদ্ধের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, সেখানে একেবারেই অপ্রয়োজনীয় একটি যুদ্ধ চলছে। সেখানে তিন হাজার বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। তারা হামলার হাত থেকে পালিয়ে বাঁচারও সময় পায় নি। এ অবস্থায় ইউক্রেন যদি ন্যাটো বাহিনীতে যোগ দেয়, তাহলে আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তিও হুমকির মধ্যে পড়বে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, রাশিয়া চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাবে। ওই চুক্তিতে উভয় দেশ স্বল্প পাল্লার পরমাণু ক্ষেপনাস্ত্র ধ্বংসের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ইউক্রেন ইস্যুতে গত কয়েক মাস ধরে আমেরিকা ও রাশিয়ার সম্পর্কে টানাপোড়েন চলেছ।

(সূত্র: আইআরআইবি)

ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসআর