গত ৬ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওযার ঘোষণার পর বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে।

পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস ইস্যুতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের জরুরি অধিবেশনের আগে সদস্য দেশগুলোর ওপর হুমকি ও চাপ সৃষ্টির অপকৌশল নিয়েছে আমেরিকা।

মার্কিন ভেটোয় নিরাপত্তা পরিষদে জেরুজালেম প্রশ্নে এক প্রস্তাব আটকে যাওয়ার পর বৃহস্পতিবারই জাতিসংঘের জরুরি সাধারণ অধিবেশনে বসছে ১৯৩টি সদস্য দেশ।

আরব আর মুসলিম দেশগুলোর অনুরোধে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিরল এই অধিবেশনেও ভোটাভুটি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে সদস্য দেশগুলোকে লেখা এক চিঠিতে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন দূত সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, বিপক্ষে ভোটদাতা দেশগুলোকে নজরে রাখবেন তারা।

জাতিসংঘ সনদের ৩৭৭ নম্বর অনুচ্ছেদের আওতায় এ প্রস্তাব তোলা হবে এবং তা পাস হলে সংশ্লিষ্ট পক্ষ তা মানতে বাধ্য।

নিকি হ্যালিজাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি গতকাল কয়েক ডজন দেশের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন যাতে তিনি এসব সদস্য দেশকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, যারা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেবে তাদেরকে চিনে রাখবে ওয়াশিংটন।

নিকি হ্যালি ওই চিঠিতে বলেছেন, "প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক দৃষ্টিতে ভোটাভুটির বিষয়টি দেখবেন এবং তিনি আমাকে বলেছেন কারা আমাদের বিরুদ্ধে ভোট দেয় তা যেন আমি রিপোর্ট করি। আমরা এ ইস্যুতে প্রত্যেকটি ভোটের বিষয়ে লক্ষ্য রাখব।"

নিকি হ্যালি তার টুইটার পেইজেও এ বিষয়ে হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যেসব দেশ আমেরিকার অবস্থানের বিপরীতে ভোট দেবে তাদের নাম লিখে রাখা হবে।

এদিকে, বায়তুল মুকাদ্দাস ইস্যুতে আজ (বৃহস্পতিবার) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে তবে এর ফলাফল মানতে কেউ বাধ্য নয়।

এএস