নিখোঁজ সৌদি কলামিস্ট জামাল খাসোগির সমর্থনে তার কলামের জায়গা ফাঁকা রেখেই শুক্রবার পত্রিকা বের করেছে প্রভাবশালী মার্কিন পত্রিকা ওয়াশিংটন পোস্ট।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের কঠোর সমালোচক খাসোগি মঙ্গলবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করার পর থেকে তার আর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, তিনি ওই ভবন থেকে বের হয়ে গেছেন, কিন্তু তুরস্ক বলছে, খাসোগি সম্ভবত এখনও কনস্যুলেটের ভিতরেই রয়েছেন।

ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, তারা খাসোগির জন্য 'উদ্বিগ্ন'। একই সঙ্গে পত্রিকাটি বিন সালমানকে 'খাসোগির মতো দেশপ্রেমীদের গঠনমূলক সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করার' আহ্বান জানায়।

একটি সম্পাদকীয়তে এই সাংবাদিককে কাজ করার সুযোগ দিতে সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করতেও সৌদি যুবরাজের প্রতি আহ্বান জানায় পোস্ট।

জ্যেষ্ঠ সৌদি কর্মকর্তাদের উপদেষ্টা খাসোগির কলাম সৌদি আরবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল এবং সৌদি যুবরাজের নীতির সমালোচনা না করতে সতর্ক করে দেয়া হয়েছিল। এরপর পর তিনি দেশ ত্যাগ করেন।

৫৯ বছর বয়সী এই কলাম লেখক যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা নির্বাসনে গিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টে লেখালেখি করতেন। ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে খাসোগি গিয়েছিলেন তার ডিভোর্সের কাগজপত্র সংগ্রহ করতে, যেন তিনি তার তুর্কি বাগদত্তা হাতিসকে বিয়ে করতে পারেন।

খাসোগি তার ফোন কনস্যুলেটের বাইরে হাতিসের কাছে রেখে যান। তিনি না ফিরে এলে হাতিস যেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়ব এরদোয়ানের এক উপদেষ্টাকে ফোন করেন, এই নির্দেশনাও দিয়ে যান তিনি।

হাতিস জানান, তিনি খাসোগির জন্য কনস্যুলেটের বাইরে অপেক্ষা করতে করতে মধ্যরাত পার হয়ে গেলেও তাকে সেখান থেকে বের হতে দেখেননি। পরে বুধবার কনস্যুলেট খোলার আগে আগে আবার তিনি সেখানে গিয়ে উপস্থিত হন।

জেড