বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইউরোজোন-অর্থমন্ত্রী পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে গ্রিস। ঋণের একাংশ মওকুফের যে দাবি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে দেশটি, ঐ পথে অগ্রগতি বা স্থবিরতা নির্ধারিত হবে এ বৈঠকের শেষে।

গ্রিক প্রধানমন্ত্র অ্যালেক্সিস সিপ্রাস বলেন, ‘একের পর যে বৈঠকগুলো বিগত সময় ধরে হয়েছে তার অগ্রগতির কিছু সুস্পষ্ট লক্ষণ আমরা দেখতে চাই।’

খুব বেশি আশা দিচ্ছেন না ইউরোজোন-কর্তৃপক্ষ। ইউরোগ্রুপের পিতা জেরুন ডিজেলব্লুম বলেন, ‘বৈঠকে অগ্রগতি হচ্ছে ঠিক। কিন্তু মতৈক্যে আসা তো ভিন্ন ব্যাপার। ও পথে এথনও অনেকটা পাড়ি দেয়া বাকি।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যতম সদস্য গ্রিস এ সিদ্ধান্তে বরাবরই ইউরোজোনের সমর্থন চেয়ে এসেছে। কিন্তু ইউরোজোন প্রতিবার হতাশায় ভাসিয়েছে গ্রিসকে। গ্রিস তাদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী মঙ্গলবারের মধ্যে দেশটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলকে প্রাপ্য অর্থের মধ্য থেকে ৭৫ কোটি ডলার পরিশোধ করতে চাইছে।

তবে এর বিপরীতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের কোনো ভাষ্যের কথা স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি।

প্রথমবারের মতো নির্বাচিত বামপন্থী সরকার তাদের কৃচ্ছতাবিরোধী নীতি পরিত্যাগ করবে না বলেই জানিয়েছে। সেক্ষেত্রে বর্তমান গ্রিসের অর্থনৈতিক অবস্থার নিরীখে যখন সম্পূর্ণ ঋণ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পরিশোধ করত পারছে না গ্রিস, তখন একাংশ মওকুফের আবেদন ছাড়া গ্রিসের সামনে দ্বিতীয় সুযোগ নেই বলেই মনে করছেন গ্রিক প্রশাসন।

এছাড়া গ্রিসের ব্যাংকগুলোর ওপর থেকে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে অবরোধ তুলে নেয়ার আবেদনও করেছে গ্রিস ইউরোপের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে।

চলতি বছরের জুন নাগাদ ঐক্যমতে পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছে গ্রিস ও ইউরোপীয় কর্তৃপক্ষ।

ইআর