কাতার সংকট বা উপসাগরীয় সংকট নিরসনে অতি দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আনুষ্ঠানিক আহবান জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন।
ওয়াশিংটন ডিসিতে কাতার-যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত এক স্ট্রাটিজিক সভায় প্রায় ৮ মাস ধরে চলা এই 'গাল্ফ সংকট' বা 'উপসাগরীয়' সংকট নিরসনে উভয় পক্ষকে এগিয়ে আসার আনুষ্ঠানিক আহবান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানের শুরুতে রেক্স টিলারসন তার ভাষণে জানান, 'আমরা শুরু থেকে কাতার সংকট বা উপসাগরীয় সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলাম এবং এখনও আছি। কিন্তু ৮ মাস হয়ে গেলেও এর কোন সমাধানে আসা সম্ভব হয় নি। এই সংকটের সাথে সংযুক্ত দেশগুলোর ওপর এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে এবং সামরিক ক্ষেত্রে।'
কাতার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উপলক্ষ করে তিনি বলেন, 'নিজেদের কর্মকাণ্ড এবং চিন্তাধারাগুলো সংযত করে এই সমস্যর সমাধান করা অনেক কঠিন হয়ে যাবে কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে যথাযথ ভূমিকা পালনের জন্য উপসাগরীয় এই সংকট নিরসন এখন সময়ের অতি জরুরী দাবি'।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের জুন থেকে কাতারের সাথে সকল প্রকার কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে মিশর, বাহরাইন, সৌদি আরব এবং আরব আমিরাত। 'জঙ্গিবাদ' এবং 'চরমপন্থিদের' মদদদাতা হিসেবে অভিযুক্ত করে কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছাড়াও জল, স্থল এবং আকাশ পথেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে এই ৪টি দেশ। যদিও কাতারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ সরাসরিভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়।
মঙ্গলবার আয়োজিত সভায় কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুহাম্মদ বিন আব্দুলরহমান আল-থানি কাতারের প্রতি এই অবৈধ নিষেধাজ্ঞা বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, কাতারের প্রতি এই অবৈধ নিষেধাজ্ঞা এবং অবিচারমূলক পদক্ষেপ উপসাগরীয় অঞ্চলে ধর্মীয় ক্ষেত্রকেও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। যেটা কোন ভাবেই কোন মুসলিম দেশের জন্য কল্যাণকর নয়।
উল্লেখ্য, সভায় দেশের প্রধান সেকটরগুলোতে বিনিয়োগে একমত পোষণ করেন যুক্তরাষ্ট্র এবং কাতার। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেন কাতার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
জেড





