ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীতে (সেনা, নৌ ও বিমান) মুসলমানদের নিয়োগ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০০৭ সালের পর থেকে নিয়োগের এই হার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। বুধবার ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ওয়ার্ল্ডবুলেটিন।
তবে, মুসলমানদের নিয়োগ বৃদ্ধি পেলেও তা এখনো নেহায়েত কম। দেশটির সামরিক বাহিনীতে মাত্র ৬২০ জন মুসলিম সদস্য রয়েছেন। উল্লেখ্য, দেশটির সামরিক বাহিনীতে দুই লাখ সদস্য রয়েছেন। অর্থ্যাৎ, মোট সেনা সদস্যের এক শতাংশেরও কম মুসলিম সেনা। অথচ ৬ কোটি ৩০ লাখ জনসংখ্যার দেশটিতে মুসলিমরা হলেন ৪.৮ শতাংশ।
ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে ইসলামিক রিলিজিয়াস অ্যাডভাইজার এবং ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালনরত আসিম হাফিজ মনে করেন, মুসলমান হওয়া এবং ব্রিটেনকে রক্ষা করার মধ্যে কোন বিরোধ নেই।
আসিম হাফিজই হলেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে প্রথম মুসলিম ইমাম। তার মতে, ব্রিটিশ মুসলমানেরা ভালো যোদ্ধা হতে পারেন।
তবে, ইরাক ও আফগানিস্তানে আক্রমণ করার পর ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীতে মুসলমানদের নিয়োগ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় চাচ্ছে মুসলমানরা বেশি বেশি করে সামরিক বাহিনীতে আসুক। ব্রিটিশ ইমাম শায়খ আসরার রাশিদ মুসলমানদেরকে ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার আহ্বানা জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মুসলমান সেনাদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। এমনকি রমজান মাসে রোজা রাখারও সুযোগ দেয়া হয়। মুসলমান সেনাদের জন্য হালাল রেশনের ব্যবস্থা ও নামাজের রুম রয়েছে।
[b]ঢাকা, ০২ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি) //এমএ[/b]
আন্তর্জাতিক
ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীতে মুসলমানদের নিয়োগ বেড়েছে ৪০ শতাংশ
ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীতে (সেনা, নৌ ও বিমান) মুসলমানদের নিয়োগ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ২০০৭ সালের পর থেকে নিয়োগের এই হার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। বুধবার ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে ওয়ার্ল্ডবুলেটিন।





