গ্রীসের বেলআউট কর্মসূচীর সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন ইউরো জোনের অর্থমন্ত্রীরা। ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে গ্রীসের ৩৪০ বিলিয়নের বেশি ঋণ রয়েছে। ফলে বেলআউটের অর্থ না পেলে গ্রীসের ব্যাংকিং খাতে ধ্বস নামার আশংকা রয়েছে।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে ওই সময়সীমা শেষ হচ্ছে , এরপরই এথেন্সকে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের এক দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে।
তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একটি গণভোট আয়োজনে সময় বাড়াতে অনুরোধ করেছিল দেশটি। তবে সেটি নাকচ করে ইউরো জোনের মন্ত্রীরা বলছেন, ঋণদাতাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি গ্রীসকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।
বেলআউট কর্মসূচীর বিষয়ে গ্রিসের সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় ছিল এ মাসের ত্রিশে জুন পর্যন্ত।
তবে শুক্রবারই, দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলেক্সিস সিপরাস ঘোষণা দেন, বেলআউটের বিষয়ে গ্রিসের জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে এবং এক সপ্তাহ পরে তারা এর উপর একটি গণভোট আয়োজন করবেন। এজন্য ওই সময়সীমা বৃদ্ধির অনুরোধ জানায় গ্রীস।
তবে ইউরো জোনের অর্থমন্ত্রীরা জানিয়ে দিয়েছেন, গ্রীসের জন্য আর নতুন করে কোন সময় বাড়ানো হবে না।
এ সিদ্ধান্ত জানার পর গ্রীসের ব্যাংকগুলোয় টাকা উত্তোলনের লম্বা লাইন পড়েছে।
আইএমএফ বলছে, গ্রীসের গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত অর্থহীন। কারণ মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পর ওই গণভোটের সিদ্ধান্ত কোন ভূমিকা রাখতে পারবে না।
মঙ্গলবারের মধ্যে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের এক দশমিক সাত বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হবে গ্রীসকে। না হলে তাদের ইউরো জোন থেকে বেরিয়ে যেতে হবে হতে পারে এবং অর্থনীতিও বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।
তবে এই সিদ্ধান্ত ইউরো জোনের জন্য ক্ষতিকর হবে বলে মনে করছেন গ্রীসের অর্থমন্ত্রী ইয়ানিস ভারোফাকিস। ইউরো জোনের মন্ত্রীরা বলছেন, তারা সবাই চান গ্রীস ইউরো জোনে থাকবে। তবে সেজন্য গ্রীসকেই অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা
ইআর





