ইসরাইল হুমকি দিয়েছে- যুদ্ধে নিহত সেনাদের লাশ ফেরত না দিলে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করা হবে। ইরানের প্রেস টিভি এ খবর দিয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সময় ইসরাইলি গুপ্ত বাহিনীর হাতে হামাসের রাজনৈতিক ও সামরিক শাখার বহু নেতা মারা গেছেন। তবে, এবারের যুদ্ধে হামাসের কোনো শীর্ষ পর্যায়ের নেতা শহীদ হন নি।

এবারের গাজা যুদ্ধে হামাসের হাতে ইসরাইলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ৬৪ জন সেনা নিহত হয়েছে। তবে হামাস দাবি করেছে তাদের হাতে নিহত ইসরাইলের সেনা সংখ্যা অন্তত ১৫০।

এছাড়া, হামাস অন্তত একজন ইসরাইলি সেনাকে জীবিত অবস্থায় আটক করেছে। অবশ্য, আরেক সেনা আটক নিয়ে পরস্পর বিরোধী নানা খবর বের হয়েছিল। কিন্তু হামাসের হাতে কোনো সেনার লাশ রয়েছে- এমন দাবি করেনি ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনটি। আটক সেনার বিনিময়ে হামাস নেতারা ইসরাইলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তির ব্যবস্থা করবে বলে ধারণা হয়।

ইসরাইলি বর্বরতার একটি খণ্ড চিত্র

হামাসের একজন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও শীর্ষ নেতা শায়েখ আহমেদ ইসমাইল হাসান ইয়াসিনকে (৬৭) ২০০৪ সালের ২২ মার্চ ইসরাইলি হেলিকপ্টার থেকে মিসাইল নিক্ষেপ করে হত্যা করা হয়। এ সময় তার দুই দেহরক্ষী ও অপর ৯ ব্যক্তি মারা যান। তারা সবাই ফজরের নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়ার পথে বর্বরতার শিকার হন।

200px-Ahmed_Yassin

দুর্ঘটনার কারণে ১২ বছর বয়স থেকে হাটতে পারতেন না হামাস নেতা ইয়াসিন। হুইলচেয়ারে বসে চলাফেরা করতেন, চোখে দেখতেন খুবই কম। শারিরীকভাবে অক্ষম এমন একটি বৃদ্ধ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার মুখে পড়ে ইসরাইল।

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, টিআই