শ্রীলংকার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম বিদেশ সফরে এ সপ্তাহান্তে ভারত সফরে যাচ্ছেন। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা দ্বীপ রাষ্ট্রের ওপর চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সম্পর্ক আরো জোরদারের আশায় তিনি এ সফরে যাচ্ছেন।

গত মাসে মাইথ্রিপালা সিরিসেনার দায়িত্ব গ্রহনের মধ্যদিয়ে শ্রীলংকার সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দ রাজাপাকসের এক দশকের শাসনের অবসান ঘটে। উল্লেখ্য, চীনের সাথে রাজাপাকসের ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। এটা নিয়ে নয়াদিল্লির অনেক উদ্বেগ ছিল।

রাজাপাকসের শাসনামলে চীন শ্রীলংকায় অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলোতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে। তারা দেশটির বৃহত্তম বিদেশি আর্থিক সহায়তাদানকারী হওয়ায় সেখানে তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামরিক প্রভাব বিস্তার করে ।

ভারত দীর্ঘদিন ধরেই শ্রীলংকাকে তাদের প্রভাব বলয়ের মধ্যে রাখার কথা বিবেচনা করে আসছে। আর এ লক্ষ্যেই নয়াদিল্লী কলম্বো ও তামিল বিদ্রোহীদের মধ্যে তাদের মধ্যস্থতায় করা শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে ১৯৮৭ সালে সেখানে সৈন্য পাঠায়।

গত বছর শ্রীলংকার জলসীমায় চীনের দু’টি ডুবোজাহাজ স্বল্প সময়ের জন্য অবস্থান করার ঘটনায় নয়াদিল্লি ক্ষুব্ধ হয়।

শ্রীলংকার কর্মকর্তারা জানান, সিরিসেনার ভারত সফরের প্রধান লক্ষ্যই হচ্ছে তাদের সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তোলা। সেখানে সোমবার তার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে তার প্রশাসন ১শ’ ৪০ কোটি ডলারের চীনের একটি বিতর্কিত প্রকল্প বাতিল করে।

কৃষিমন্ত্রী লক্ষণ কিরিলা বলেন, ‘ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক খুব একটা ভাল ছিল না।

‘আমরা ভারতের সাথে নতুন করে সম্পর্ক তৈরী করতে চাই। চীনের সাথে আমাদের সম্পর্ক থাকলেও তা ভারতের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে না।

এমএ