প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস চিকিৎসার ওষুধ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে থাইল্যান্ড। বেশ কিছু ভাইরাসনিরোধী (অ্যান্টিভাইরাল) ওষুধের সংমিশ্রণ ব্যবহার করে তারা করোনাভাইরাস আক্রান্ত এক রোগীকে সুস্থ করে তুলেছে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বার্তা সংষ্থা এএফপির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে

রোববার থাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ৭১ বছর বয়সী করোনাভাইরাস আক্রান্ত এক চীনা নারীকে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও এইচআইভির চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের মিশ্রণ দেয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই চমকপ্রদ সাফল্য দেখা গেছে।

চীনে সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশটিতে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৬২ ছাড়িয়েছে। বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে অন্তত ১৭ হাজার ২০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে প্রথমবারের মতো উহানে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর চীনসহ প্রায় ২৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস।

এমতবস্থায় যখন প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের ঠেকানোর উপায় বের করতে দিন-রাত মাথা খাটাচ্ছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা। এরই মধ্যে সুখবর দিলেন থাইল্যান্ডের একদল চিকিৎসক। তাদের দাবি, তারা তৈরি করে ফেলেছেন করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক। খবর এএফপির

ব্যাংককের রাজাভিথি হাসপাতালের চিকিৎসকরা দাবি করেছেন, তারা ইনফ্লুয়েঞ্জা ও এইচআইভির ওষুধ একসঙ্গে মিশিয়ে তা দিয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত চীনের বয়স্ক এক ব্যক্তির চিকিৎসা করেছেন এবং এতে তার অবস্থার নাটকীয় উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসা দেওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পর ওই ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ইনফ্লুয়েঞ্জার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় ওসেলটামিভির নামে একটি ওষুধ ও এইচআইভির চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধের নাম লোপিনাভির এবং রিটোনাভির।

ব্যাংককের রাজাভিথি হাসপাতালের ফুসফুস বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তাদের আবিষ্কৃত ওষুধ প্রয়োগে রোগ সম্পূর্ণ সেরে যাচ্ছে, এমন নয়। তবে দ্রুত রোগীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটছে। আর এটাকে যথেষ্ট বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন তারা।

এএস