সাবমেরিন ধ্বংসকারী রাশিয়ার নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের তাড়ার মুখে ব্যারেন্টস সাগর থেকে সন্দেহভাজন মার্কিন সাবমেরিন পালিয়ে গেছে। রুশ নৌ বাহিনীর সদর দফতরের উচ্চ পদস্থ একটি সূত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদ মাধ্যম আজ (শনিবার) এ খবর দিয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, চলতি মাসের ৭ তারিখে ব্যারেন্টস সাগরে একটি ভিনদেশি সাবমেরিনের সন্ধান পায় রুশ নৌবাহিনীর উত্তরাঞ্চলীয় বহর। এটি মার্কিন নৌবাহিনীর ভার্জিনিয়া শ্রেণীর বলে সন্দেহ করা হয়।
মার্কিন সাবমেরিনটি খুঁজে বের করার জন্য রাশিয়ার সাবমেরিন ধ্বংসকারী কয়েকটি জাহাজ এবং একটি আইএল-৩৮ বিমান ওই এলাকায় পাঠানো হয়। উত্তরাঞ্চলীয় বহরের এ তৎপরতার মুখে ২৭ মিনিটের মাথায় সন্দেহভাজন সাবমেরিনটি রুশ পানি সীমা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
ব্যারেন্টস সাগরে এই প্রথম কোনো ভিনদেশি সাবমেরিনের উপস্থিতি শনাক্ত করা হলো না। উত্তর মহাসাগরে ন্যাটোর সাবমেরিন বহর এর আগেও নানা ঘটনা ঘটিয়েছে। ২০০০ সালের ১২ আগস্ট ব্যারেন্টস সাগরে রুশ পরমাণু সাবমেরিন ক্রুস্ক তলিয়ে ১১৮ জন নাবিকের সবাই মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছিলেন। রুশ নৌবাহিনীর সূত্র থেকে বলা হয়েছে, ক্রুস্ক ডুবে যাওয়ার কারণ হলো- মার্কিন পরমাণু চালিত সাবমেরিন টোলেডোর সঙ্গে সংঘর্ষ।
এ ছাড়া, সাগরে রুশ সাবমেরিন বা রণতরীর সঙ্গে ইঙ্গ-মার্কিন রণতরীর সংঘর্ষও নতুন কোনো ঘটনা নয়। ১৯৯২ সালে রাশিয়ার 'কে-২৭৬ সাবমেরিনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় মার্কিন সাবমেরিন 'ব্যাটোন রোগের'। এ ছাড়া, ১৯৮৬ সালে সোভিয়েত সাবমেরিন 'তাইফানের' সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছিল ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনীর সাবমেরিন 'এইচএমএস স্পেলেনডিডের'।
ঢাকা, ১০ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, টিআই





