বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে ২০টি ভাসমান পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বেইজিং।
দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে চীন। এর ফলে দক্ষিণ চীন সাগরের বিশাল অংশের ওপর চীনের দাবি আরো জোরদার হবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমের এক খবরে দক্ষিণ চীন সাগরে ২০টি ভাসমান পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।
দূরবর্তী দ্বীপপুঞ্জর পাশাপাশি সাগরে ড্রিলিংয়ে তৎপর তেলের রিগেও এ থেকে বিদ্যুতের যোগান দেয়া হবে। এছাড়া, স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় চীনের তৈরি কৃত্রিম দ্বীপেও এসব কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। কৃত্রিম এই দ্বীপকে ক্রমেই সামরিক ঘাটিতে রূপান্তরিত করছে চীন।
এসব ভাসমান পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র চায়না শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশন বা সিএসআইসি তৈরি করবে বলে জানানো হয়েছে। চীনের ডুবোজাহাজসহ বিশাল বিশাল নৌযান নির্মাণের বৃহত্তম সংস্থা হলো সিএসআইসি। এছাড়া ভাসমান পরমাণু চুল্লির প্রথমটির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভাসমান পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নতুন কিছু নয়। অবশ্য বিরোধপূর্ণ এলাকায় এর ব্যবহার নিয়ে পরিবেশ ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের অনেকেই আশংকা প্রকাশ করেছেন।
এমআর





