বৃহস্পতিবার দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ গণমাধ্যমকে হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন।
রদ্রিগেজ দেশটির লা গুয়াইরা রাজ্যটিকে একটি ‘দুর্যোগ অঞ্চল’ এবং ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এরআগে স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানী কারাকাস ও এর আশপাশের এলাকায় ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিস) জানিয়েছে, বুধবার কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এরপর অন্তত ২০টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।
এদিকে উদ্ধারকর্মীরা ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে জীবিতদের সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ, যোগাযোগ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং অবকাঠামোগত ক্ষতির কারণে উদ্ধার কার্যক্রমে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। সংকটময় এই পরিস্থিতিতে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের জীবিত উদ্ধারের জন্য সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান।
ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত দেশটিতে সহায়তা করতে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ উদ্ধারকারী দল, চিকিৎসা সহায়তা ও জরুরি ত্রাণ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ বলেন, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিদেশ থেকে উদ্ধারকর্মীরা ভেনেজুয়েলায় পৌঁছাবেন। সহায়তার আশ্বাস দেওয়ার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, এল সালভাদর, মেক্সিকো ও কাতারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে জাতীয় পর্যায়ে জরুরি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে। তবে হতাহতের প্রকৃত চিত্র পেতে আরো সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএম