শ্রীলঙ্কায় মুসলিম নারীদের বোরকা পরা নিষিদ্ধ এবং এক হাজারের বেশি মাদরাসা বন্ধ করতে যাচ্ছে। গতকাল (১৩ মার্চ)বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির জন নিরাপত্তা মন্ত্রী সারাত উইরাসেকারা বলেন, বোরকা নিষিদ্ধ করার এক নির্দেশে তিনি সই করেছেন। সেটি কার্যকর করতে পার্লামেন্টের অনুমোদন লাগবে। খুব দ্রুত এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে বলে তিনি আশা করছেন।

উইরাসেকারা বলেন, এটা “জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি” তৈরি করছে এবং স্থায়ী ভাবে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

২০১৯ সালে এপ্রিল মাসে শ্রীলঙ্কায় খ্রিস্টানদের কয়েকটি গির্জায় হামলার পর দেশটির সরকার এই উদ্যোগ নিচ্ছে। ওই হামলার দায় স্বীকার করে জঙ্গী গোষ্ঠী আইএস।

শ্রীলঙ্কার মুসলিম কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিলমি আহমেদ বলেন, কর্মকর্তারা যদি বোরকা পরা কারোর পরিচিতি জানতে চান, সেক্ষেত্রে তাদের যদি সমস্যা হয়, “তাহলে পরিচিতি জানার জন্য তাদের মুখের ঢাকা সরাতে বললে কেউ তাতে আপত্তি জানাবে না।”

তিনি বলেন ধর্ম বিশ্বাস যার যেটাই হোক না কেন মুখ ঢেকে চলাফেরা করার অধিকার প্রত্যেকের আছে: “অধিকারের বিচারে সেটা বিবেচনা করতে হবে, শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সেটা বিচার করলে হবে না।”

শ্রীলঙ্কার নিরাপত্তা মন্ত্রী সারাত উইরাসেকারা সাংবাদিকদের বলেন, সরকার ১০০০এর বেশি মাদ্রাসা বন্ধ করারও পরিকল্পনা করেছে। এই মাদ্রাসাগুলো জাতীয় শিক্ষা নীতি লংঘন করছে। “যে কেউ স্কুল খুলে শিশুদের যা খুশি পড়াতে পারে না। সরকারের শিক্ষা নীতি মেনে সব স্কুলে পাঠদান করতে হবে।” তিনি বলেন, বেশিরভাগ অনিবন্ধিত স্কুল “শুধু আরবী ভাষা এবং কোরআন পড়ায়, সেটা খুবই খারাপ।”

এমবি