মিশর বিপ্লবের বার্ষিকীতে রাজধানী কায়রোসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ-সমাবেশ করতে গিয়ে বিরোধীদলের এক মহিলা কর্মীসহ অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। ২০১১ সালে মিশরে গণ-বিপ্লবের চতুর্থ বার্ষিকীতে এসব হত্যার ঘটনা ঘটলো।

এ ঘটানায় আহত হয়েছেন অন্তত ২০০ জন এবং আটক করা হয়েছে ৪০০ জনকে।

গত শনিবার ৩৪ বছর বয়সী এক নারী কর্মী কায়রোর তালাত হার্ব চত্বরে বিক্ষোভ করতে গিয়ে মারা যান।

খালেদ আল-খাতিব নামে মিশরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, রোববার রাজধানীর উত্তরে মাতারেয়া এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে নয়জন নিহত হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, মাতারেয়া এলাকার সংঘর্ষে এক পুলিশও মারা গেছে।

এছাড়া, রাজধানী কায়রোয় মারা গেছে অন্তত দু জন। বাকি একজন মারা গেছে মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর আলেকজান্দ্রিয়ায়।

২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মুবারকের বিরুদ্ধে গণ-অভ্যুত্থান ঘটেছিল। তারই বার্ষিকীতে কায়রোয় ইখওয়ানুল মুসলিমিনসহ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ-সমাবেশের আয়োজন করেছে।

কিন্তু বর্তমান শাসক জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি কোনো রকম বিক্ষোভ-সমাবেশ করতে দিতে রাজি নন। সরকারের বাধা সত্ত্বেও গতকাল থেকে মিশরের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল-হচ্ছে। এসব মিছিল থেকে বহু মানুষকে আটক করা হয়েছে। এরমধ্যে 'উইমেন অ্যাগইনেস্ট দ্যা ক্য' নামে একটি সংগঠনের মুখপাত্রও রয়েছেন।

এদিকে, বিপ্লব বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানী কায়রোর তাহরির স্কয়ারে যাওয়ার সব পথ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া, কায়রো আসার সব ট্রেন বন্ধ রাখা হয়েছে।সূত্র: রেডিও তেহরান, বিবিসি

ইআর