তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জোহরে খারাজমি জানিয়েছেন, ইরান আত্মবিশ্বাসের সাথে ইসলামাবাদ আলোচনায় প্রবেশ করেছে। এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়াটাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয় বলেও জানান তিনি।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প গত ৬ মার্চ পর্যন্তও নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের দাবি জানিয়েছিলেন, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এখন আলোচনার টেবিলে বসেছে।
খারাজমি বলেন, ইরান তার শর্তগুলোর ব্যাপারে অনড়। এবং অন্তত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত মেনে নেওয়া হবে, হয়ত এই পর্বে নয়, কিন্তু পরবর্তী পর্বগুলোতে।
হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে খারাজমি বলেন, এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ ইরানের দর কষাকষির মূল ভিত্তি এবং সর্বোচ্চ নেতা আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছেন-এটি সহজে ছেড়ে দেওয়া হবে না। তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরান এই প্রণালীকে যুদ্ধের খরচ পুনরুদ্ধারের একটি উপায় হিসেবে দেখে।
ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর ইরানি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, সামরিক বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, পাকিস্তানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি। সূত্র: আল জাজিরা।
এমএম