আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সতর্ক করে বলেছে, জি-সেভেনের দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি ভালো হলেও কানাডা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

সরকার আর্থিক মন্দা থেকে নাগরিকদের সুরক্ষায় নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কানাডার । এর মধ্যে রয়েছে সাপ্লাই চেইন শক্তিশালী করা, সহজলভ্য চাইল্ড কেয়ার, জিএসটি রিবেট, রেন্টাল সাপোর্ট ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ডেন্টাল কেয়ার সহায়তা।

প্রসঙ্গত, সুদের হার বৃদ্ধি, আকাশচুম্বী মুদ্রাস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, নাগরিকদের শূন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট— সব মিলিয়ে কঠিন অবস্থায় কানাডার অর্থনীতি। কানাডা প্রবাসী লাখেরও বেশি বাংলাদেশি এর বাইরে নয়।

২০০৮ সালের পর ব্যাংক ঋণে সুদের হার বাড়িয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেছে ব্যাংক অব কানাডা। আয় বাড়েনি, তবে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েই চলেছে।

সুদের হার ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রবাসীদের মধ্যেও বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। নিম্নবিত্তদের জন্য চালু করা ফুড ব্যাংকে দীর্ঘ হচ্ছে লাইন।

এন