জাপানে রোববার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে তার অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রতি জোরালো সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তার দলকে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, জনপ্রিয়তা কমলেও প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে আবারও ক্ষমতায় আসছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রোববার স্থানীয় সময় সকাল সাতটায় দেশব্যাপী ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। ৪৭৫ আসনের পার্লামেন্ট ডায়েটে কারা বসবেন আজকের নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটাররা তা নির্ধারণ করবেন। রোববার রাতে ভোট গণনা শুরু হবে।
সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, জনপ্রিয়তা কমলেও এই নির্বাচনে আবের জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১২ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসেন আবে। এরপর তিনি সরকারি ব্যয় ও নোট ছাপানো বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করেন। জাপান চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে অর্থনৈতিক মন্দার কবলে পড়ে।
বিশ্ব ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হলেও জাপান সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করছে।
গত মাসে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন আবে। অর্থনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে নতুন করে জনসমর্থন যাচাইয়ের জন্য এ নির্বাচন দিয়েছেন তিনি।
আবের নীতি ‘অ্যাবেনোমিকস’নামে পরিচিত। আবে জোর দিয়ে বলেন, তার নীতির ফলে জাপান আগের অবস্থানে ফিরবে।
আবে ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার নীতির ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বেতন বাড়বে। জাপান আরো অনেক ধনী দেশে পরিণত হবে।’
পূর্বের জনমত জরিপগুলোতে দেখা গেছে, আবের জোট ৪৭৫ টি আসনের মধ্যে ৩০০'র বেশি আসন পাবে। ফলে নিম্নকক্ষে বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে তার দল।
আবের বর্তমান পার্লামেন্টের মেয়াদ ছিল ২০১৬ সাল পর্যন্ত। তবে দুই বছরের বেশি সময় আগে তিনি আগাম নির্বাচনের আয়োজন করেছেন। আগেভাগে নির্বাচন করার অন্যতম লক্ষ্য জনপ্রিয়তায় ঘাটতি রোধ করা। নিম্নকক্ষের আজকের নির্বাচনে মোট ১,১৯১ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এমএ





