রাতে অ্যাপেনডিক্সের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন রোগী। দু’একটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার শেষে রাতের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকেরা জানান, রোগীর অবস্থা গুরুতর। সকালেই দ্রুত অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। বাড়ির লোকেরাও অস্ত্রোপচারে সম্মতি জানান। তারপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খরচের ‘প্যাকেজ’ জানান। দু’লক্ষ আটত্রিশ হাজার চারশ টাকা! অতপর সকালে অপারেশনের আগেই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায় রোগী সহ স্বজনরা।
এমনই ঘটল কলকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে। রোগীর নাম শ্রমণা দত্ত। অ্যাপেনডিক্সের সমস্যা নিয়ে অনেক দিন ধরে কষ্টে আছেন। যত কষ্টই হোক এবার চিকিৎসা করাতেই হবে। এই ভেবে বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি হওয়া। হাসপাতালের খরচের তালিকা দেখেই 'ছেড়ে দে মা কাইন্দা বাঁচি।
শ্রমণার আত্মীয় রাজেশ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘আমরা এই অস্বাভাবিক খরচ শুনেই হাসপাতাল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিই।’’ রাজেশ জানিয়েছেন, সে সময় সার্জারি চিকিৎসক রমেশ অগ্রবাল রোগীকে দেখার জন্য ডাকেন। চিকিৎসক জানান, দ্রুত অস্ত্রোপচার না করালেও চলবে। কিছুটা কম খরচে অস্ত্রোপচারের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
রাজেশের কথায়, ‘‘হাসপাতালের একেক চিকিৎসক একেক রকম কথা বলছিলেন। ভুল বুঝিয়ে প্রতারণা করে রোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে এই হাসপাতালগুলি। আমরা ভয়ে হাসপাতাল ছাড়ি। বাইরে অস্ত্রোপচার করিয়ে আমাদের রোগী এখন সুস্থ।’’
জেড





