যত দিনই অতিবাহিত হোক না কেন, বিচারের ক্ষেত্রে এমন দেরি হওয়া কোন সমস্যা মনে করেন না জাতিসংঘের কৌঁসুলিরা। আর এ কারণেই বসনিয়ায় গণহত্যাসহ মানবাধিকারবিরোধী বহু অপরাধে জড়িত সার্ব নেতা রাদোভান কারাদজিচের আগামী ২৪ মার্চ।
যদিও মাঝে ২০টি বছর পার হয়ে গেছে। তবুও এ রায়কে বিলম্বিত রায় বলতে নারজ তাঁরা।
ওই সময় বসনিয়ার হারজেগোভিনার রাজধানী সারায়েভো ৪৪ মাস সার্বদের দখলে ছিল। অন্তত আট হাজার মুসলিম পুরুষ ও বালককে হত্যা করে সার্বরা। এই গণহত্যায় কারাদজিচের হাত ছিল বলেই অভিযোগ। এমন দুটি গণহত্যাসহ মোট ১১টি অভিযোগ আনা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
গত শুক্রবার এএফপি'র বরাতে এক বিশেষ সাক্ষাত্কারে জাতিসংঘের আইনজীবী বেলজিয়ামের নাগরিক সের্গে ব্রামের্ত্জ বলেন, এই আদালত বহু গুরুত্বপূর্ণ বিচার করছেন। তবে কারাদজিচের বিষয়টি নিশ্চিতভাবেই ট্রাইব্যুনালের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
তত্কালীন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ ২০০৬ সালে সাবেক যুগোস্লাভিয়ার জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বন্দী অবস্থায়ই মারা যান। রাজনৈতিকভাবে তাঁর পরই কারাদজিচের স্থান।
ব্রামের্ত্জ বলেন, নিজ জনগণের ভোগান্তি তৈরির জন্য রাজনৈতিক নেতাদের দায়ভার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় ছিল ২০০৮ সাল। ওই বছরই ১৩ বছর পালিয়ে থাকার পর ধরা পড়েন কারাদজিচ। ঘটনায় ভুক্তভোগীদের মূল দাবিই ছিল কারাদজিচ এবং বসনিয়ার সার্ব সেনাপ্রধান রাক্তো ম্লাদিচকে আটক করা। ম্লাদিচ ধরা পড়েন ২০১১ সালে। তাঁর মামলার রায় পাওয়া যাবে আগামী বছর।
উল্লেখ্য যে, এই সার্ব নেতা কারাদজিচের বিচার শুরু হয় ২০০৯ সালের অক্টোবরে।
এমআইএস।





