ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ বলেছেন, কিছু বিরোধী নেতা বারবার প্রশ্ন তুলছেন নিহত জঙ্গিদের সংখ্যা নিয়ে। বিমানবাহিনীর দায়িত্ব ছিল লক্ষ্যে আঘাত করা। সেটি সফল হয়েছে।  যারা এ সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, আমি কংগ্রেসের সেসব বন্ধুকে বলছি- পাকিস্তানে গিয়ে সংখ্যাটা জেনে আসুন।

মঙ্গলবার  (০৬ মার্চ) আসামের ধুবড়িতে এক জনসভায় তিনি এই কথা বলেন।এদিন রাজনাথ ন্যাশনাল টেকনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (এনটিআরও) একটি তথ্যও তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর দফতর দ্বারা পরিচালিত এটি একটি টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস ও ইন্টেলিজেন্স সংস্থা।

এনটিআরওর দাবি, পাকিস্তান সীমান্ত বালাকোটে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের ঘাঁটিতে হামলা চালানোর আগে ওই ক্যাম্পে প্রায় ৩০০ মোবাইল সক্রিয় ছিল।

এই প্রসঙ্গ টেনে রাজনাথ বলেন, এনটিআরওর তথ্য বলছে- হামলার আগে ওই ক্যাম্পে ৩০০ মোবাইল সক্রিয় ছিল। এর পর আর বলার প্রয়োজন পড়ে না মৃত্যুর সংখ্যাটা কত।

এনটিআরও এর তথ্যের পরও কীভাবে সন্দেহ প্রকাশ করছেন বিরোধীরা? তা হলে ওখানে কী ওই মোবাইলগুলো গাছেরা ব্যবহার করছিল, প্রশ্ন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ভারতের বিমান হামলায় বালাকোটে অবস্থিত জইশ-ই-মোহাম্মদের একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। হামলায় অন্তত ৩০০ জঙ্গি নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করে ভারত। তবে হতাহতের পক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি তারা।

অন্যদিকে পাকিস্তান দাবি করেছে, বালাকোটে হামলায় কেউ নিহত হয়নি। ওই এলাকায় কোনো জঙ্গি আস্তানাও নেই।  আন্তর্জাতিক খবরেও জানানো হয়, ওখানে একজন গ্রামবাসী আহত হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে হামলায় বেশ কিছু পাহাড়ি পাইনগাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  

এমবি