চীন দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী নির্মাণের কাজ নিয়ে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। নানা সূত্র থেকে প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে এ বিষয় নিশ্চিত করা গেছে বলে দাবি করেছে ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি। এতে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরীতে কেবল সরবরাহ করার ঠিকাদারি পেয়েছে চীনের একটি স্থানীয় কোম্পানি। কিন্তু পরে এ খবরটি দ্রুত ইন্টারনেট থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।

চীনের চাংঝাওশহরের কর্তৃপক্ষ চীনের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত অনুমোদিত একাউন্টে দেয়া পোস্টে জানিয়েছিল, ২০১৫ সালে এ শহর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেবে। চীনের দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরীতে কেবল সরবরাহের জন্য এ শহরের জিয়ানসু শাংশান কেবল গ্রুপের ঠিকাদারি পাওয়ার খবরও এতে উল্লেখ করা হয়েছিল। ‌এদিকে গতকালও চাংঝাও ইভেনিং নিউজও একই ধরণের খবর প্রকাশিত হয়। কিন্তু পরে এ খবরসহ চীনের সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টটি মুছে ফেলা হয়।

চীনের প্রথম বিমানবাহী রণতরী ইউক্রেন থেকে কেনা হয়েছিল এবং তা ২০১২ সালে চালু করা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিরক্ষা খাতে চীনের ব্যয় অনেক বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে, ২০১৩ সালের এপ্রিলে চীনা নৌবাহিনীর উপপ্রধান সং সু বলেছিলেন, তার দেশ একাধিক বিমানবাহী রণতরী বানাবে। কিন্তু কবে এ সব রণতরী পানিতে নামানো হবে সে কথা জানান নি তিনি।

এ ছাড়া, লিয়াওনিং প্রদেশের কম্যুনিস্ট পার্টির সচিব এরপর বলেছিলেনে, ২০২০ সালের মধ্যে চীনের দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরী বানানোর কাজ শেষ হবে। তার সে বক্তব্যও পরে ইন্টারনেট থেকে মুছে দেয়া হয়েছিল।

অবশ্য চীন আজ(সোমবার) বলেছে, পশ্চিমা মদদপুষ্টদের উস্কানির মুখে আরো বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করবে বেইজিং। চীনের ক্ষমতাসীন কম্যুনিস্ট পার্টির মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত পিপসল ডেইলির সঙ্গে যুক্ত গ্লোবাল টাইমসের এক সম্পাদকীয়তে বলেছে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনের কাছে এখন রয়েছে, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের আমলে তৈরি একটিমাত্র বিমানবাহী রণতরী এবং এটিও কেবলমাত্র প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর এটি মোটেও চীনা অর্থনৈতিক শক্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে।

ইআর